Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ট্রেনে উঠতে না পেরে গার্ডকে অভিযোগ

মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বাসিন্দাদের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রেলপথ। কুমেদপুর, হরিশ্চন্দ্রপুর, মিলনগড় ও ভালুকা রোড এই চার স্টেশন এই থানার মধ্যে পড়ে।

ট্রেনে উঠতে না পেরে গার্ডকে অভিযোগ
  • ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বাসিন্দাদের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রেলপথ। কুমেদপুর, হরিশ্চন্দ্রপুর, মিলনগড় ও ভালুকা রোড এই চার স্টেশন এই থানার মধ্যে পড়ে।  কাটিহার-মালদহ কোর্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনে বৃহস্পতিবার ভিড়ের কারণে বহু যাত্রী উঠতে পারেননি। ক্ষুব্ধ যাত্রীরা ট্রেন দাঁড় করিয়ে গার্ডের কামরার সামনে গিয়ে সমস্যার কথা জানান ও বিক্ষোভ দেখান। ফলে এদিন ট্রেন ছাড়তে দেরি হয়। তিনদিন আগে মালাহার স্টেশনে এই ট্রেনে ওঠার সময় পড়ে গিয়ে কাটা পড়ে মৃত্যু হয় এক মহিলা যাত্রীর। সেই আতঙ্কে এদিন হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশনে ট্রেনে ভিড় থাকায় যাত্রীরা উঠতে চাননি। মিলনগড় ও ভালুকা রোড স্টেশনেও একই সমস্যা দেখা গিয়েছে। ট্রেনের কোচ সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার জন্য এমন সমস্যা বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।
Advertisement
এপ্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর হাইস্কুলের শিক্ষক মতিউর রহমান বলেন, কাটিহার-মালদহ কোর্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধরার জন্য হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশনে গিয়েছিলাম। কিন্তু ট্রেন আসে প্রায় এক ঘণ্টা পর। খুব ভিড় থাকায় বহু যাত্রী উঠতে পারেননি। যাত্রীরা ট্রেনের গার্ডকে ঘিরে সমস্যার কথা জানান। 
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার রাঘবপুর গ্রামের একাদশ শ্রেণির ছাত্র তানভীর আহমেদও ভিড়ের জন্য ট্রেনে উঠতে না পেরে বাড়ি ফিরে এসেছে। তার বক্তব্য, প্রচুর যাত্রী ট্রেনে উঠতে পারেননি। ট্রেনের কোচ অনেক কম বলে  প্রতিদিন এমন সমস্যা হচ্ছে।
হরিশ্চন্দ্রপুর উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক মফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই প্যাসেঞ্জার ট্রেনে ১২ টি কোচ থাকত। বর্তমানে চার-পাঁচটি যাত্রী কোচ আছে। যাত্রীরা ভিড়ের জন্য ট্রেনে উঠতে পারছেন না। এই সমস্যার কথা কাটিহার ডিআরএম অফিসে লিখিত জানানো হয়েছে। কাটিহার ডিআরএম অফিসের এক আধিকারিক জানান, কোচ সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি রেলওয়ে বোর্ডকে জানানো হয়েছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ