Bartaman Logo
২৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসআইআরকে কেন্দ্র করে সংগঠিত তৃণমূল, রাজ্যজুড়ে জোটবদ্ধ কর্মীরা, প্রথম ১৫ দিনের দলীয় রিপোর্টে প্রকাশ

একজোট তৃণমূল। এই রিপোর্টটাই উঠে এসেছে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে। এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর প্রথম ১৫ দিনের রিপোর্ট জেলাভিত্তিক পর্যালোচনায় তৃণমূলের রিপোর্টে ধরা পড়েছে, সর্বত্র নেতা-জনপ্রতিনিধি-কর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন।

এসআইআরকে কেন্দ্র করে সংগঠিত  তৃণমূল, রাজ্যজুড়ে জোটবদ্ধ কর্মীরা, প্রথম ১৫ দিনের দলীয় রিপোর্টে প্রকাশ
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একজোট তৃণমূল। এই রিপোর্টটাই উঠে এসেছে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে। এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর প্রথম ১৫ দিনের রিপোর্ট জেলাভিত্তিক পর্যালোচনায় তৃণমূলের রিপোর্টে ধরা পড়েছে, সর্বত্র নেতা-জনপ্রতিনিধি-কর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন। ৬২০০টি ক্যাম্প বা শিবির করার যে টার্গেট নেওয়া হয়েছিল, তা পূর্ণতা পেয়েছে। এমনকি বিধানসভা আসনভিত্তিক ‘ওয়ার রুম’ করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন জোড়াফুল ব্রিগেডের সদস্যরা।

Advertisement

নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘোষণা হওয়ার পর সাংগঠনিক বৈঠক করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। রাজ্যের সব জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠক থেকে এসআইআর কেন্দ্রিক স্ট্যাটেজি ঘোষণা করে তৃণমূল। গত ৪ নভেম্বর থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাড়ি বাড়ি ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি করেছিলেন বুথ লেভেল অফিসাররা। সেদিন কলকাতায় যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের উপস্থিতিতে মিছিল এবং প্রতিবাদ সভা হয়েছিল, তেমনই সেদিন থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হয় তৃণমূলের ক্যাম্প। ‘বাংলার ভোট রক্ষা’ শীর্ষক এই শিবির গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভার ওয়ার্ডে করার টার্গেট নেওয়া হয়।
এরপর এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজ এগিয়ে চলেছে, তৃণমূলের তরফে জেলা ধরে ধরে রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। কোথায়, কেমন ক্যাম্প চলছে, সেখানে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি কেমন, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যাবতীয় বিষয় খোঁজ-খবর নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রথম ১৫ দিন অতিক্রান্ত হয়েছে। জেলাভিত্তিক একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে তৃণমূল। তাতে তৃণমূল অন্দরের খবর, বুথ লেভেল এজেন্টরা যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন। ফর্ম সংক্রান্ত বিষয়ে সাধারণ মানুষকে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা করছেন তাঁরা। চেয়ার-টেবিল পেতে পাড়ার মোড়, চৌরাস্তা, ক্লাব ঘরের সামনে, জনবহুল এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের দেখা যাচ্ছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই শিবির চলছে। এই ক্যাম্পগুলিতে দিনের বিভিন্ন সময়ে গিয়ে বসছেন মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি, পদাধিকারীরা। কোথায় কত ফর্ম জমা পড়ছে, দৈনিক তার তথ্য সংগ্র করা হচ্ছে। ‘দিদির দূত’ অ্যাপের মাধ্যমেও তৃণমূল কর্মীরা দলকে দৈনিক তথ্য পাঠাচ্ছেন। ফলে সংগঠিত পরিসরে ছবিটাই সামনে এসেছে। সেইসঙ্গে এই তথ্যটাও উঠে এসেছে, রাজনৈতিক ময়দানে বিজেপির বুথ লেভেল এজেন্ট বা কর্মীদের দেখা যাচ্ছে না। সেখানে রাজ্যের ৮১ হাজার বুথে কমপক্ষে ১০ জন করে তৃণমূল কর্মীকে রাজনৈতিক ময়দানে দেখা যাচ্ছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ