Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আদালতের রায়ে ক্ষমতা ফিরে পেল খড়্গপুরে তৃণমূল পুরবোর্ড

ফের ক্ষমতা ফিরে পেল খড়্গপুর পুরসভার তৃণমূল পুরবোর্ড। শুক্রবার ভেঙে দেওয়া পুরবোর্ডের চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান তৈমুর আলি খান সহ সিআইসি সদস্যরা পুরসভায় এসে দায়িত্ব নেন।

আদালতের রায়ে ক্ষমতা ফিরে পেল খড়্গপুরে তৃণমূল পুরবোর্ড
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: ফের ক্ষমতা ফিরে পেল খড়্গপুর পুরসভার তৃণমূল পুরবোর্ড। শুক্রবার ভেঙে দেওয়া পুরবোর্ডের চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান তৈমুর আলি খান সহ সিআইসি সদস্যরা পুরসভায় এসে দায়িত্ব নেন। তাঁদের অফিস রুমের সামনে খুলে ফেলা নামের বোর্ড ফের লাগানো হয়। প্রসঙ্গত পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে রাজ্য সরকারের নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দপ্তর তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড ভেঙে দিয়েছিল। এসডিও সুরভী শিংলাকে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছিল। এর বিরুদ্ধে বিরোধী কংগ্রেস কাউন্সিলাররা আদালতে মামলা করেন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই আদালতের রায় দেয়। 

Advertisement

এসডিও বলেন, আদালতের রায়ের কপি পেয়েছি। যিনি চেয়ারপার্সন ছিলেন ওঁর দায়িত্ব নেওয়ার কথা। এদিন থেকে আমি আর পুরসভার প্রশাসক থাকছি না। চেয়ারপার্সন বলেন, আদালতের নির্দেশ মতো এসডিও এদিন সকালে আমাদের দায়িত্ব নিতে বলেন। এদিন থেকে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, এদিন এসডিও অফিসে আমরা গিয়েছিলাম উনি বলেন, বোর্ড যেরকম ছিল থাকবে। এদিন সমস্ত সিআইসি সদস্য সহ আমরা অফিসে এসে নিজ নিজ চেয়ারে বসেছি। কাজ শুরু করেছি। স্বাভাবিক নিয়মে আমাদের অফিস রুম থেকে নামের সমস্ত বোর্ড খুলে দেওয়া হয়েছিল। এদিন সেগুলি আবার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। পানীয় জল সরবরাহ, নিকাশি, আবর্জনা পরিষ্কার ও পথবাতি নিয়ে নাগরিকদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে গত ডিসেম্বর মাসে পুরসভাকে শোকজ করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার অভিযোগে কেন বোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না। সাতদিনের মধ্যে শোকজের উত্তর দিতে হবে। সেই মতো পুরসভার পক্ষ থেকে উত্তরও দেওয়া হয়। কিন্তু, সংশ্লিষ্ট দপ্তর সেই উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ায় গত জানুয়ারি মাসে বোর্ড ভেঙে দেয়। ক্ষমতা হারান কাউন্সিলাররাও। জানুয়ারি মাসের ২৭ তারিখ এসডিও প্রশাসকের দায়িত্ব নেন। গত সোমবার আদালত রাজ্য সরকারের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ খারিজ করে দেয়। 
তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, আদালত রায় দিয়েছে। সেইমতো প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখানে রাজনৈতিকভাবে আমাদের কোনও বক্তব্য থাকতে পারে না। কংগ্রেস কাউন্সিলার মধু কামি বলেন, ওদের দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে সরকার বোর্ড ভেঙে দিয়েছিল। আমাদের ক্ষমতাও খর্ব করা হয়। খড়্গপুর শহরের বাসিন্দাদের স্বার্থে আমরা আদালতে যাই। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। বিজেপি কাউন্সিলার অনুশ্রী বেহেরা বলেন, যা হয়েছে সবই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য। এর জন্য জনগণকে দুর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছিল। বোর্ড না থাকায় পানীয় জল, পথবাতি সহ  নানা সমস্যা হচ্ছিল। আদালতের রায়ে আমরা খুশি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ