Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মৃত-ডিলিটেড ভোটারদের সামনে এনে নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের

মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার বেলুড় মঠে এসে ভয়মুক্ত ও হিংসামুক্ত ভোটের আশ্বাস দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বারো ঘণ্টার মধ্যেই তার পালটা দিয়ে কমিশনকে তুলোধোনা করল তৃণমূল

মৃত-ডিলিটেড ভোটারদের সামনে এনে নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের
  • ১১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার বেলুড় মঠে এসে ভয়মুক্ত ও হিংসামুক্ত ভোটের আশ্বাস দিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বারো ঘণ্টার মধ্যেই তার পালটা দিয়ে কমিশনকে তুলোধোনা করল তৃণমূল। বিবেকানন্দের পীঠস্থানে দাঁড়িয়ে করা তাঁর সেই মন্তব্যকে ‘মিথ্যে’ দাবি করে কমিশনকে তীব্র কটাক্ষ করল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু কটাক্ষেই থেমে থাকেনি তারা। নির্বাচন কমিশনের এই দাবি যে বাস্তবের সঙ্গে মিলছে না, তা তুলে ধরতে এদিন বালি বিধানসভার মৃত, ডিলিটেড ও বিচারাধীন হিসাবে চিহ্নিত পাঁচজন ভোটারকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল নেতৃত্ব।

Advertisement

মঙ্গলবার বিকেলে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিধায়ক অরূপ রায়, জেলা সদর তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক গৌতম চৌধুরী এবং যুব সভাপতি কৈলাস মিশ্র। সেখানেই বালি বিধানসভা এলাকার পাঁচজন ভোটারকে সামনে আনা হয়, যাঁদের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মৃত, ডিলিটেড বা বিচারাধীন হিসাবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বালির ১৪২ নম্বর পার্টের ভোটার পম্পা দে। তাঁর দাবি, ২০০২ সাল থেকে ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এবং সমস্ত বৈধ নথি জমা দেওয়ার পরেও চূড়ান্ত তালিকায় তাঁকে মৃত হিসাবে দেখানো হয়েছে। বিষয়টি সংশোধনের জন্য বিএলও ও ইআরওর দপ্তরে বারবার যোগাযোগ করলেও সুরাহা পাননি তিনি। এছাড়াও বালির বাসিন্দা মৌসুমী ঘোষ ও অভয় সাহার নাম চূড়ান্ত তালিকায় ডিলিটেড দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, আশফাক আহমেদ ও মুসা খানের নাম রয়েছে বিচারাধীন তালিকায়। তাঁদের সবাইকে হাজির করানো হয় প্রকৃত প্রতিকারের দাবিতে। 
মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, ‘বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে দিলে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কীভাবে সম্ভব? নির্বাচন কমিশনার মিথ্যাবাদীর মতো আচরণ করছে।’ যুব সভাপতি কৈলাস মিশ্রের দাবি, ‘যে বেলুড় মঠে দাঁড়িয়ে বড়ো বড়ো কথা বলা হচ্ছে, সেই কমিশনের জন্যই মঠের মহারাজদের পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি সহ্য করতে হয়েছে।’ উল্লেখ্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় বালি বিধানসভা এলাকায় ১ হাজার ১২৪ জনের নাম বাতিল হয়েছে এবং ১৪ হাজার ৩৩৫ জনের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ