নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একে একে গ্রেপ্তার হচ্ছেন তৃণমূলের নেতারা। সর্বশেষ সংযোজন সওকত মোল্লা। রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের দাবি, সবে শুরু। গুনতে থাকুন। ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। দেড় হাজার অপরাধী কে এই মুহূর্তে গ্রেফতার করা উচিত। এদের ওপর মানুষের অপরিসীম ক্ষোভ আছে। ওদের আরও বেশি করে গ্রেফতার করা দরকার কারণ নাহলে একটা অঘটন ঘটে যাবে। রাস্তাঘাটে যা হচ্ছে যেভাবে ঘিরে ধরছে, মারধর করছে হঠাৎ কোন অঘটন ঘটে যেতে পারে। ওদের জীবনের স্বার্থে ওদের গ্রেফতার করা উচিত। কোর্টে মামলা চলুক।
গতকালই তৃণমূলের সাংগঠনিক রদবদল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখনে একা অভিষেক নন, সিদ্ধান্ত হয় ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেনকেও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ঘোষণা করা হয়। যা নিয়েও কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের। তিনি বলেন, উত্তর প্রদেশে অখিলেশ যাদব বাবাকে সরিয়ে নিজে দলের শীর্ষে এসেছিলেন। এখানে ভোটের আগে সবাই ভেবেছিল এখানেও উত্তর প্রদেশের সিন হবে। তার বদলে এখানে মহারাষ্ট্রের সিন হয়ে গেছে। ক্ষোভ টা ছোটবাবুর ওপরে বেশি। সবাই অস্তিত্বের সংকটে ভুগছেন।
গতকাল মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার আগে ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন, এই চেয়ারে চিত্তরঞ্জন দাস, নেতাজী সুভাষ বসু বসেছেন সেখানে আমার বসার অধিকার নেই। আর এই নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন কি উনি মাটিতে বসতেন? নাকি ভরতের মতো খড়ম রেখে পুজো করতেন? ড্রামা মমতা ব্যানার্জির কাছে শিখেছেন।
দিকে দিকে তৃণমূল নেতাদের ঘিরে মানুষের জনরোষ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল নেতারা এখন কাঁচা ডিম খাচ্ছেন। সেদ্ধ করার সময় পাচ্ছেন না। এদের ধারণা ছিল যা ইচ্ছা করব সবাইকে মাড়িয়ে দিয়ে চলে যাবো মানুষ কিছু করতে পারবে না। কিন্তু মানুষ কত সজাগ সেটা দেখিয়ে দিয়েছেন।
পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠন নিয়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, সরকার তো কাজ করছে। মন্ত্রিসভা ৩৩ জনের হবে কি ৪৩ জনের হবে তার সঙ্গে সরকারি কাজের সম্পর্ক নেই। কাজ করে আমলা অফিসাররা। ক্যাবিনেট পরপর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। পেন্ডিং কাজ পরপর এগোচ্ছে। বিল পাস হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্র রাজ্য যৌথ প্রকল্পের পেন্ডিং কাজ শুরু হয়ে গেছে। খুব তাড়াতাড়ি জি রাম জি কাজ শুরু হয়ে যাবে। এরপর মন্ত্রীরা আসবেন। এই কাজগুলোর রূপায়ণের দায়িত্ব তারা ভাগ করে নেবেন।