নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গত তিন মাসের টানাপোড়েনের কি নিষ্পত্তি হবে? আজ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের নজর দিল্লিতে। আজ শনিবার নির্বাচন কমিশনের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের প্রতীক দাবি করবে দু’ পক্ষই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী। দুই শিবিরের নেতারাই আজ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ অন্য দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশির মুখোমুখি হবেন। দুপক্ষের বক্তব্য ফের একবার শুনে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গে দুটি বিধানসভা আসনের (নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর) উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষদিন। তাই তার আগেই কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে।
কমিশনের এক সূত্র জানিয়েছে, এক পক্ষকে দেওয়া হবে তৃণমূলের প্রতীক। অন্য পক্ষকে ভিন্ন প্রতীক সুপারিশ করা হবে। কিন্তু যদি দুপক্ষের যুক্তিতেই ধার থাকে, তাহলে আপাতত ঘাসফুল প্রতীক ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ কাউকেই আপাতত দেওয়া হবে না। যেহেতু সামনেই উপনির্বাচন। তাই কমিশনও চাপে রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে কানাঘুষো, মমতার থেকে ঘাসফুল প্রতীক কেড়েই নেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁকে সূর্যমুখী ফুল জাতীয় কোনো প্রতীক দেওয়া হবে। যদিও ঘাসফুল প্রতীক তাঁর হাতছাড়া হলে সুপ্রিম কোর্টে কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই খবর। আজ উভয়পক্ষের পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে ডেকেছে কমিশন। সেই মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে যাবেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাগরিকা ঘোষ, সাকেত গোখলে এবং আইনজীবী অভিনব সিং। অন্যদিকে থাকছেন অরূপ রায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, আখরুজ্জামান এবং প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই পক্ষও সঙ্গে দিল্লি থেকে একজন আইনজীবী নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। সেটি হলে শেষমেশ প্রসূণবাবুকে প্রতিনিধিদল থেকে বাদ দেওয়া হবে। শুক্রবার বিকালেই অরূপবাবুরা দিল্লি চলে এসেছেন। প্রথমে ঋতব্রত পন্থীদের কথা শুনবে কমিশন।