


টোটন বর্মন, শীতলকুচি: তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তঘাঁটি বলে পরিচিত কোচবিহারের সীমান্তবর্তী গ্রাম পঞ্চায়েত লালবাজার। পঞ্চায়েত, লোকসভা কিংবা বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল নির্ধারণে বরাবরই তৃণমূল কংগ্রেসের তুরুপের তাস এই পঞ্চায়েত।
২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত যত ভোট হয়েছে, প্রত্যেকবার এখানে এগিয়ে থেকেছে জোড়াফুল শিবির। ২০২১ সালে শীতলকুচি বিধানসভা পদ্মের দখলে গেলেও সেবার এই অঞ্চলে ১০ হাজার ৮০০ ভোটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটেও এই অঞ্চল থেকে ১২ হাজার ৪০০ ভোটের লিড পেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে লিড বাড়াতে কোমর বেঁধে নেমেছে অঞ্চল নেতৃত্ব। বুথে বুথে খুলি বৈঠক, প্রচার কোনো কিছুই বাদ যায়নি। সকাল থেকে সন্ধ্যা এলাকায় চষে বেড়িয়েছে অঞ্চল নেতৃত্ব। নমুনা ব্যালট নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরেছেন কর্মীরা। অঞ্চল নেতৃত্ব জানিয়েছে, এবারের বিধানসভা ভোটে এই অঞ্চল থেকে সাড়ে ১২ থেকে ১৪ হাজার ভোটের লিড দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। যদিও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, গত নির্বাচনগুলিতে তৃণমূল ওই অঞ্চলে লিড পেলেও এবার ভাগ বসাতে চলেছে তারা।
তৃণমূলের লালবাজার অঞ্চল সহ সভাপতি তথা পঞ্চায়েত প্রধান অনিমেষ রায় বলেন, দল ক্ষমতায় আসার পর আমাদের অঞ্চল থেকে প্রার্থীরা বরাবর লিড পেয়েছেন। আশা করছি, এবার আগের সমস্ত রেকর্ড টপকাতে পারব।
শীতলকুচির বিজেপির প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনের কথায়, একটি-দু’টি অঞ্চল দিয়ে তো ভোটে জেতা যায় না। আমরা সমস্ত অঞ্চলে ভোট প্রচার করেছি। একুশের মতো এবারও এই আসন বিজেপির দখলে থাকবে। বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে রাজ্যে।