Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চা বাগানের শ্রমিকদের ভাষায় কথা বলছেন তৃণমূল প্রার্থী

চা বাগানের সবুজে মোড়া পথ। মাথায় গামছা, কারও হাতে ঝুড়ি। দুপুরে কাজের ফাঁকেই এক জায়গায় ভিড় জমেছে চা শ্রমিকদের। সেই ভিড়ের মাঝেই দাঁড়িয়ে ধূপগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়।

চা বাগানের শ্রমিকদের ভাষায় কথা বলছেন তৃণমূল প্রার্থী
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

উজ্জ্বল রায়, ধূপগুড়ি: চা বাগানের সবুজে মোড়া পথ। মাথায় গামছা, কারও হাতে ঝুড়ি। দুপুরে কাজের ফাঁকেই এক জায়গায় ভিড় জমেছে চা শ্রমিকদের। সেই ভিড়ের মাঝেই দাঁড়িয়ে ধূপগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়। কখনও হিন্দিতে, কখনও নেপালি ভাষায় কথা বলছেন তিনি। আর তাতেই যেন জমে উঠছে ভোট প্রচারের আসর। মুগ্ধ চোখে শুনছেন শ্রমিকরা। 

Advertisement

পাঁচটি চা বাগান, ৩০টি বুথ, প্রায় ৩০ হাজার ভোটার। ফলে রাজনৈতিক অঙ্কে চা বলয় মানেই ‘গেম চেঞ্জার’। এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই তৃণমূল প্রার্থী নির্মলবাবুর প্রচারে বিশেষ জোর। প্রার্থী বলেন, চা শ্রমিকদের ভাষায় কথা বলাটাই আমার প্রথম দায়িত্ব। প্রচারে সেটাই করছি। ওদের সমস্যা জানি, বুঝি। মজুরি, স্বাস্থ্য, বাসস্থান সব ক্ষেত্রেই উন্নয়ন হয়েছে, আরও হবে। মানুষ আমাদের সঙ্গেই আছে। 
তবে, মাটির সমীকরণ এত সহজ নয়। গত বিধানসভায় চা বলয়ে প্রায় ৪ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। উপনির্বাচনে সেই লিড কমে দাঁড়ায় ১৬০০। কিন্তু লোকসভায় আবার তা বেড়ে প্রায় পাঁচ হাজারে পৌঁছয়। ফলে চা বলয় নিয়ে দোলাচল থেকেই যাচ্ছে। 
এই প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী নরেশচন্দ্র রায়ের বক্তব্য, তৃণমূল শুধু প্রতিশ্রুতি দেয়, কাজ করে না। চা শ্রমিকদের প্রকৃত উন্নয়ন বিজেপিই করেছে। কেন্দ্রের প্রকল্প সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছেছে। তাই চা বলয়ে আমাদের সমর্থন বাড়ছেই। 
এদিকে, তৃণমূল শিবিরে আশার সুর। তাঁদের দাবি, গ্রামাঞ্চলে লিড থাকলেও পুরসভা এলাকায় ঘাটতি ছিল। কিন্তু এবার চা বলয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারলেই জয় নিশ্চিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের কথায়, ধূপগুড়ির ফল অনেকটাই নির্ভর করে চা বাগানের ভোটে। যে দল এখানে থাবা বসাতে পারবে, তার পক্ষেই পাল্লা ভারী হবে। সবুজ চা গাছের সারির মাঝেই তাই এখন জোরদার রাজনৈতিক লড়াই। শ্রমিকদের হাসি, ক্লান্তি আর প্রত্যাশার মাঝেই লেখা হচ্ছে ধূপগুড়ির ভোট-গল্প।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ