নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সৌগত রায়কে লোকসভায় দলের ‘উপদলনেতা’ করল তৃণমূল। শতাব্দী রায় বিদ্রোহ ঘোষণা করে তৃণমূলের সঙ্গ ছেড়েছেন। তাই সেই পদে এবার প্রবীণ সাংসদ সৌগতকে আনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সোমবার থেকে লোকসভায় তিনিই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গরহাজির। বাদল অধিবেশনের জন্য মুখ্যসচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গত বুধবার ‘সাসপেন্ড’ করেছে লোকসভা। তাই সৌগতবাবু সক্রিয় হয়েছেন।
কল্যাণের সেই ‘শাস্তি’ প্রত্যাহারের দাবিতে শুক্রবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছেও গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন মহুয়া মৈত্র, সাজদা আহমেদ, প্রতিমা মণ্ডল, কীর্তি আজাদ। যদিও স্পিকার নিজের দায় এড়াতে চাইছেন বলেই অভিযোগ। তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে তিনি বলেছেন, বিষয়টি সরকার করেছে। সরকারই লোকসভায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করতে প্রস্তাব পেশ করেছে। ধ্বনি ভোটে তা পাশ করিয়েছে। তাই সরকারকে বলুন।
সেই পরামর্শ মেনে এদিন সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজুর সঙ্গেও দেখা করে তৃণমূল। সেখানে রিজিজু এই দায় নিতে চাননি। বলেছেন, আমি তো সেদিন সেইসময় সভায় ছিলাম না। সংসদ বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল করেছেন। দেখি কী করা যায়। তৃণমূল বিষয়টি নিয়ে চাপ বজায় রাখবে বলেই জানা গিয়েছে। সোমবার ফের তাঁরা এ ব্যাপারে সক্রিয় হবে। কল্যাণবাবুও বিদ্রোহী দুই তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার এবং শতাব্দী রায়ের নামে স্পিকারের কাছে অভিযোগ করে চিঠি দিয়েছেন। বলেছেন, অহেতুক তাঁকে মাতাল বলা হয়েছে।