সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার সময় এক আদিবাসী বধূ ও তাঁর নাবালিকা ননদের উপর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রামপুরহাটের একটি আদিবাসী গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তৎপরতার সঙ্গে পুলিশ চারজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলেও তিনজন এখনো পলাতক বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতের পকসো কোর্টে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী রাহুল দাস বলেন, বিচারক ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার গ্রামের মাঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা চলছিল। রাত ৮টা নাগাদ খেলা দেখে গ্রামের রাস্তা ধরে তাঁরা হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, নির্জন রাস্তায় গ্রামেরই মদ্যপ আদিবাসী যুবকের দল তাঁদের পথ আটকায় এবং শ্লীলতাহানি করে। প্রতিবাদ করলে মদ্যপরা বধূ ও তাঁর ননদকে মারধরের পাশাপাশি কামড়ে দেয়। কোনোরকমে অভিযুক্তদের হাত থেকে তাঁরা পালাতে সক্ষম হন। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে সামাজিক লজ্জা ও ভয়ের কারণে আদিবাসী সমাজের প্রধানের কাছে বিষয়টি জানাননি নির্যাতিতারা। অবশেষে শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সাহস করে তাঁরা রামপুরহাট থানায় হাজির হন। সাতজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশ ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, নাবালিকার শ্লীলতাহানির ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। পলাতক তিন অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।