Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খড়্গপুরের বড়কোলা বিবেকানন্দ হাইস্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান। এই স্লোগান সামনে রেখে খড়্গপুর-১ ব্লকের বড়কোলা বিবেকানন্দ হাইস্কুলের তরফে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হল।

খড়্গপুরের বড়কোলা বিবেকানন্দ হাইস্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
  • ২৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান। এই স্লোগান সামনে রেখে খড়্গপুর-১ ব্লকের বড়কোলা বিবেকানন্দ হাইস্কুলের তরফে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হল। এই কর্মসূচি ঘিরে পড়ুয়াদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক প্রতাপনারায়ণ পড়িয়া, পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ার ইনচার্জ শিশির মণ্ডল, একটি সংস্থার ডিরেক্টর(অ্যাডমিন) অভিজিৎ রায় ও জেনারেল ম্যানেজার প্রদ্যুম্নকুমার পাত্র সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়ারা। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, সারা বছর ধরেই এই স্কুলের উদ্যোগে সমাজ কল্যাণমূলক কর্মসূচি পালন করা হয়। এবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থেকে পড়ুয়াদের হাতে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক বছরে স্কুলের পরিকাঠামোর উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে এই স্কুলে প্রায় সাড়ে পাঁচশো পড়ুয়া রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই স্কুলে পঠনপাঠন ভালো হয়। প্রতি বছরই মাধ্যমিক পরীক্ষায় স্কুলের পড়ুয়ারা ভালো রেজাল্ট করে। তবে স্কুলে ডাইনিং শেডের দরকার রয়েছে। তা না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় পড়ুয়াদের। প্রধান শিক্ষক প্রতাপবাবু বলেন, সকলের সহযোগিতা ছাড়া স্কুলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। পড়ুয়া, প্রাক্তনী ও অভিভাবকদের তরফেও সহযোগিতা মেলে। পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। তাই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করা হয়েছে। স্থানীয় এক বেসরকারি কোম্পানি এব্যাপারে সহযোগিতা করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কংসাবতী নদীর তীরবর্তী এলাকায় বড়কোলা গ্রাম। এই গ্রামের উত্তর ও দক্ষিণে মেদিনীপুর ও খড়্গপুর শহর। কিন্তু এই গ্রামে যাতায়াতের সুব্যবস্থা নেই। তাই এলাকার ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলো ও বিনোদনে অনেকটাই পিছিয়েছিল। এই এলাকার প্রায় ষাট শতাংশ মানুষই অনগ্রসর সম্প্রদায়ভুক্ত। ১৯৬৩সালের ১২জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের একশোতম জন্মতিথিতে বড়কোলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৬ সালে কো-এড স্কুল হিসেবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অনুমোদন লাভ করে। ১৯৯৩ সালে স্কুলটি মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয়। এই স্কুল প্রাঙ্গণে মিনি সায়েন্স ল্যাব ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। পড়ুয়াদের সুবিধার্থে নতুন বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। পড়ুয়াদের জন্য মাল্টি জিমও রয়েছে। স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি মতিলাল ঘোষ বলেন, ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার জন্য এই স্কুলটি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হওয়া দরকার। জেলার শিক্ষাদপ্তর, স্থানীয় বিধায়ক দীনেন রায়ের তরফে সবসময় সহযোগিতা পাওয়া যায়।-নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ