


সংবাদদাতা, বারুইপুর: কেরলে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হলেন কুলতলির বাসিন্দা এক বাবা ও তাঁর ছেলে। তাঁদের নাম লক্ষ্মণ দাস (৪২) ও বাদল দাস (২৩)। এরপর উদ্বেগে দিন কাটছে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের। প্রশাসনের সব স্তরে তাঁরা যোগাযোগ করেছেন। এই প্রসঙ্গে কুলতলির বিধায়ক গণেশ মণ্ডল বলেন, আমরা ওই পরিবারের পাশে আছি। গোটা বিষয়টি রাজ্য সরকারের কাছে জানানো হয়েছে। কী করে তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায়, সেই চেষ্টা চলছে। আমরা নজর রাখছি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলতলির শানকিজাহান কলোনির বাসিন্দা লক্ষ্মণ দাস ও তাঁর ছেলে সহ ১১ জন মৎস্যজীবী কেরলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তিন মাস আগে। এর মধ্যে কাকদ্বীপের ন’জন মৎস্যজীবীও আছেন। গত ৬ মার্চ দুপুরে মৎস্যজীবীদের ট্রলারটি কাটালি টু গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিল। ধরার শেষে মাঝ সমুদ্রেই ট্রলারটি দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় আচমকা পিছন থেকে মালবাহী একটি জাহাজ এসে ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। তখন লক্ষ্মণ দাস ট্রলারের ভিতরে ঘুমাচ্ছিলেন। তাঁর ছেলে বাদল ভিতরে বাবাকে ডাকতে যান। এদিকে বাকি মৎস্যজীবীরা বিপদ বুঝে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। পরে অন্য একটি ট্রলার তাঁদের উদ্ধার করলেও বাবা ও ছেলের কোনো খোঁজ মেলেনি।
এদিকে, ওই ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে যায়। অন্য মৎস্যজীবীরা কেরলের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। লক্ষ্মণ দাসের পরিবারের লোকজন বলেন, এখনও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। বিধায়কের উপর ভরসা করে আমরা বসে আছি। কী হবে জানি না।