Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উত্তরের মহিলাদের হ্যান্ড মেড চা ইউরোপে পাঠাতে প্রশিক্ষণ শুরু

উত্তরবঙ্গের মহিলাদের জন্য হ্যান্ড মেড চা ইউরোপে পাঠানোর প্রশিক্ষণ শুরু হল। পরিবেশবান্ধব চা উৎপাদনের জন্য বিশেষজ্ঞরা সহায়তা করছেন। বিস্তারিত পড়ুন।

উত্তরের মহিলাদের হ্যান্ড মেড চা ইউরোপে পাঠাতে প্রশিক্ষণ শুরু
  • ১৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ইউরোপের বাজারে হ্যান্ড মেড চায়ের দারুণ চাহিদা। ফলে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা হাতে যে চা তৈরি করছেন, তা যাতে ইউরোপে পাঠানো যায়, সেই লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ শুরু হল। জার্মান সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ওই প্রশিক্ষণে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে কীভাবে পরিবেশবান্ধব চা উৎপাদন করা যেতে পারে, তা শেখানো হচ্ছে। 

Advertisement

কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তী বলেন, দার্জিলিং পাহাড়ের পাশাপাশি জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা হ্যান্ড মেড চা তৈরি করছেন। তাঁরা যাতে সফল হতে পারেন, সেজন্য বিজনেস মডেল তৈরিতে সাহায্য করতে তাঁদের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে। এজন্য বিশেষজ্ঞ সংস্থার প্রতিনিধিরা এসেছেন। জলপাইগুড়ির পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর ও দার্জিলিং পাহাড়ে মহিলাদের ওই ট্রেনিং দেওয়া হবে। তাঁর দাবি, উত্তরের মহিলাদের হ্যান্ড মেড চা যাতে ইউরোপে পাঠানো যায়, সেব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 
ময়নাগুড়ির রামসাই এলাকায় হ্যান্ড মেড চা তৈরি করে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী। সম্প্রতি কলকাতায় তাদের তৈরি গ্রিন টি, অর্থোডক্স চা ও হোয়াইট টি সমাদৃত হয়েছে। ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তরফে দীপ্তি রায় বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণের ফলে আমাদের অনেক উপকার হচ্ছে। এগুলি আগামী দিনে চায়ের ব্যবসায় সফল হতে সাহায্য করবে। 
চায়ের উৎপাদন বাড়াতে মাটিতে জৈব কার্বনের মাত্রা বৃদ্ধি প্রয়োজন। ভুট্টার মোচা ও প্রুনিংয়ে বাদ দেওয়া চা গাছের ডালপালা পুড়িয়ে ওই জৈব কার্বন তৈরিতে এবার মেশিন বসছে ময়নাগুড়ির ভোটপট্টি এলাকায় একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর চায়ের ফ্যাক্টরিতে। পাইলট প্রোজেক্ট হিসাবে শীঘ্রই এই প্রকল্পটি চালু হতে চলেছে বলে জলপাইগুড়ি জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতি সূত্রে খবর। একইসঙ্গে ছোটো বাগানের চায়ের ঠিকুজি তুলে ধরতে এবার প্যাকেটের গায়ে বারকোড বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোড স্ক্যান করলে ওই চা কোন বাগানের, কারা তৈরি করেছেন, চা তৈরির যাবতীয় বিবরণ জানা যাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ