সংবাদদাতা, মানকর: মানকরে রেল ফ্লাইওভার নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানালেন বিধায়ক রাজু পাত্র। বুধবার মানকর স্টেশন বাজার সংলগ্ন জগদ্ধাত্রী মন্দিরের উদ্বোধনে এসে এই কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি আগামী দিনে ট্রেনের স্টপের বিষয়েও পদক্ষেপের আশ্বাস দেন। আসানসোল ডিভিশনের মানকরের উপর দিয়ে গিয়েছে হাওড়া দিল্লি রেল লাইন। মানকরে রেল রেলগেট পারাপারের জন্য ফ্লাইওভারের দাবি দীর্ঘদিনের। স্থানীয়রা জানান, বন্দে ভারত, রাজধানী এক্সপ্রেস সহ বহু ট্রেন যাতায়াত করে এই লাইন দিয়ে। এছাড়াও রয়েছে দূরপাল্লা এক্সপ্রেস, লোকাল ট্রেন ও মালগাড়ি। ফলে দিনের অনেকটা সময় বন্ধ থাকে মানকর স্টেশনের পূর্বদিকের রেলগেট। তৈরি হয় তীব্র যানজট। মানকরের প্রবীন বাসিন্দা আনন্দগোপাল গোস্বামী বলেন, এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। রেলগেট বন্ধ থাকলে খুবই সমস্যা হয়। রেলগেট পেরিয়ে যেতে হলে হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হই। এমনও হয়েছে সর্বাধিক ৪৫ মিনিট গেটে দাঁড়িয়েছিলাম। ফ্লাইওভার তৈরি হলে এলাকার যানজট সমস্যার সমাধান হবে। এলাকার উন্নয়ন হবে। স্থানীয়রা জানান, বুদবুদ ও মানকরের বাসিন্দাদের মানকর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসতে গেলে রেলগেট পেরোতে হয়। ফ্লাইওভার হলে হাসপাতালে দ্রুত পৌঁছানো যাবে। তাছাড়া নিত্যদিন বহু পড়ুয়া রেলগেট পেরিয়ে মানকরের একাধিক বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়ে যায়। তাদেরও সুবিধা হবে। বুদবুদ বাসস্ট্যান্ড থেকে মানকর আসার এই রাস্তাতেই রয়েছে রেলগেট। রাস্তাটি সরাসরি একদিকে গুসকরা, কাটোয়া অন্যদিকে ছোঁড়া, ইলামবাজার, বীরভূমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। ফলে ছোট ও বড় গাড়ির চাপ থাকে। বাইক আরোহী সঞ্জিত হালদার বলেন, রেলগেটে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। অনেক সময় এক্সপ্রেস, লোকাল ট্রেন, মালগাড়ি সহ একাধিক ট্রেন যাওয়ার পর গেট খোলা হয়। এলাকার বাসিন্দা অশোককুমার চক্রবর্তী বলেন, ফ্লাইওভার ও স্টেশনের দক্ষিণে টিকিট কাউন্টারের দাবি জানিয়ে অনেকবার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি। এদিন বিধায়ক বলেন, পানাগড় রেল ওভারব্রিজ নিয়ে বলেছিলাম। সেটার কাজ শুরু হবে। মানকরে রেলগেট নিয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নিজস্ব চিত্র



