Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

করিমপুরে তোরণের চাপে যান-যন্ত্রণা

সীমান্ত শহর করিমপুরে যানজট বড় সমস্যা। নতিডাঙা মোড় থেকে নাটনা পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাজ্য সড়কের উপর করিমপুর বাজার।

করিমপুরে তোরণের চাপে যান-যন্ত্রণা
  • ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, করিমপুর: সীমান্ত শহর করিমপুরে যানজট বড় সমস্যা। নতিডাঙা মোড় থেকে নাটনা পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাজ্য সড়কের উপর করিমপুর বাজার। এখানে বিকল্প কোনও রাস্তা নেই। তার উপর করিমপুর বাজার ও রাজ্য সড়ক ঘেঁষে একাধিক জায়গায় বিজ্ঞাপনের প্রচারে বাঁশের খুঁটির তোরণ বাঁধা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পূজোর বাজার ধরতে গিয়ে প্রচারের জন্য রাস্তার গাঁ ঘেঁষে যেভাবে খুঁটি পোতা হয়েছে তাতে যান ও যাত্রী চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। পুজোর ক’টা দিন এই বাঁশের খুঁটি ও বেড়ে চলা যানজট  মানুষের ভোগান্তি বাড়াবে। 

Advertisement

করিমপুর ১ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কাঞ্চন মণ্ডল বলেন, করিমপুর বাজার সংলগ্ন বাথানপাড়া থেকে নাটনা মোড় পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে ১৯ টি বাণিজ্যিক বাঁশের কাঠামো তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের উচিত খুব শীঘ্র প্রয়োজনীয়  পদক্ষেপ করা। না হলে দুর্ঘটনা বাড়বে। সেইসঙ্গে পুজোর সময় ব্যাপক যানজট হবে গোটা এলাকায়। যদিও পুজোর আগে করিমপুর বাজার এলাকায় ভিড় সামলাতে পুলিশ সচেষ্ট। পুজোর ভিড় সামলাতে ইতিমধ্যেই নানা পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন।  স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রধান রাস্তায় টোটো, অটো, বাইক, ছোট গাড়ি ছাড়াও পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের ভিড়ে যানজটে প্রচণ্ড ভোগান্তি হচ্ছে। পুজোর আগে গত প্রায় দু’সপ্তাহ থেকে বাজারে ব্যাপক ভিড়। সেই ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে। 
সীমান্তের মুরুটিয়া, হোগলবেড়িয়া থানারপাড়া ও করিমপুর থানা এলাকায় বেশ কিছু প্রাচীন পুজো হয়। 
করিমপুর থানা এলাকায় এবছর যান নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিস প্রশাসন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। করিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সিকন্দর আলম জানান, ষষ্ঠী থেকে দশমী প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত শহরের মধ্যে যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এই সময়ে টোটো কিংবা বাইকের চলাচল নতিডাঙা মোড় থেকে নাটনা মোড় পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। 
যদিও করিমপুরের বাসিন্দাদের একাংশ জানান, পুলিশকে জানানো হয়েছে, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের জন্য টোটো চলাচলের ছাড়পত্র দেওয়া প্রয়োজন। না হলে যে কোনও বাড়ির বৃদ্ধ, বৃদ্ধারা প্রতিমা দেখার সুযোগ পাবেন না। তাঁদের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা দরকার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ