সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: সম্প্রতি জিএসটি হারের সংশোধন করা হয়েছে। তাতে কয়লায় জিএসটির হার ৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৮ শতাংশ হয়ে যাওয়ায় ইটশিল্পে ভাটা পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ইটভাটা মালিকেরা। বুধবার বাগনানের দেউলটিতে বেঙ্গল ব্রিক ফিল্ড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ৮২ তম রাজ্য সম্মেলনে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ভাটামালিকরা তাঁদের এই আশঙ্কার কথা শোনান। ভাটামালিকদের বক্তব্য, গত কয়েক বছরে কয়লার দাম অনেকটা বৃদ্ধি পাওয়ায় এমনিতেই ইটশিল্পে লাভের হার কমেছে। এরপরে যদি কয়লার উপর জিএসটির হার এতটা বেড়ে যায়, তাহলে অনেকেই ভাটা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন।
এদিনের সম্মেলনে সরকার নদীর চর লিজ দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাঁদের বক্তব্য, সম্প্রতি নো কস্ট টু গভর্নমেন্ট প্রকল্পে নদীর চরের ড্রেজিং বেসরকারি সংস্থার হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেচদপ্তর। তাতে সংস্থাগুলি নিজেদের খরচে চর ড্রেজিং করবে, এরপর সেই মাটি বিক্রি করে খরচ তুলতে পারবে। ভাটামালিকদের বক্তব্য, লিজ যদি সরাসরি ভাটাগুলিকে দেওয়া হতো, তাহলে সহজে মাটি পাওয়া যেত। কিন্তু টেন্ডার করে বিভিন্ন সংস্থাকে চর লিজে দেওয়া হচেছ। বহু জেলায় সেইসব সংস্থা ভাটাগুলিকে বেশি দামে মাটি বিক্রি করছে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাবির আহমেদ বলেন, আমরা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কয়লার খরচ কমিয়ে উৎপাদন ব্যয় কিছুটা হ্রাস করার চেষ্টা করছি। এমন সময়ে কয়লায় জিএসটির হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের ফের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। নদীর চর যাতে সরাসরি ভাটাগুলিকে লিজে দেওয়া হয়, সেজন্য রাজ্য সরকারকেও চিঠি
দেওয়া হবে।