নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: শক্ত ঢালাই লোহার বড়ো বড়ো ঢাকনা। রাস্তার উপরই বসানো। অথচ রাস্তা থেকে উঁচু হয়ে রয়েছে। চারপাশে গভীর গর্ত! অসাবধান হলেই দুর্ঘটনা! সল্টলেকের একাধিক রাস্তায় রয়েছে এমনই ‘মরণফাঁদ’। বহু বাইক চালক আছাড় খেয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে এবং জল জমলে বোঝা যায় না। সেই সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক জায়গাতেই এই অবস্থা হয়ে রয়েছে। কিন্তু মেরামত করা হয়নি। বড়ো দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর মেরামত করে লাভ কী! কারণ যাঁরা চারচাকা গাড়িতে যাতায়াত করেন তাঁদের চেয়ে বাইক চালকদের বিপদ বেশি। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, জায়গাগুলি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সল্টলেকে রাস্তার অবস্থা বহুদিন ধরেই খারাপ। তৃণমূল সরকারের আমলে রাস্তার হাল ফেরেনি। রাজ্যে পালাবদলের পর রাস্তা সংস্কারের দাবি তুলেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিধাননগরের নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় সল্টলেকের রাস্তা সংস্কার নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। সম্প্রতি কাজ শুরু হয়। গত দু’মাস বহু রাস্তার সংস্কার হয়েছে। তবে ম্যানহোলের পাশে যেখানে যেখানে গর্ত হয়ে রয়েছে, সেগুলি এখনও মেরামত হয়নি বলে অভিযোগ। ইএম বাইপাস থেকে কাদাপাড়া মোড় থেকে সল্টলেকের দিকে ঢুকলেই পরপর ২-৩টি এই ধরনের বেহাল ম্যানহোল রয়েছে। যেগুলির চারপাশে বড়ো গর্ত হয়ে গিয়েছে। সেখান থেকে কিছুটা এগিয়ে স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেট। সেখান থেকে ১৩ নম্বর ট্যাঙ্কের দিকে গেলে আরও তিনটি জায়গায় একই বেহাল অবস্থা। দীপক দাস নামে এক বাসিন্দা বলেন, এই ধরনের ম্যানহোলগুলি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। বহু বাইক চালক আছাড় খেয়ে পড়ছেন। আমরা এর আগে বিষয়টি পুরসভার নজরে এনেছিলাম। আশা করি এই সরকার ব্যবস্থা নেবে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ম্যানহোল খোলার সময় হয়ত কোথাও এই ধরনের অবস্থা হয়ে রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার কাজ চলছে। তাই ওই ম্যানহোলের চারপাশ ঠিক করে দেওয়া হবে।



