সংবাদদাতা,জঙ্গিপুর: বিরল রোগে শরীরের ওজন বেড়েই চলেছে।মাত্র তেরো বছরে ওজন বেড়ে ১৪৩ কেজি। প্রতিদিন এক কিলো চালের ভাত লাগে তার।নাবালকের খাওয়ার জোগাতেই হিমশিম অবস্থা পরিবারের।তার শরীরের মাপে পোশাক পাওয়াও দুষ্কর! দর্জি ডেকে বানাতে হয়। সাগরদিঘির কাবিলপুরের নাবালক জিশানকে নিয়ে রীতিমতো দুঃশ্চিন্তায় পরিবার।
Advertisement
জিশানের বাবা মুনসাদ আলি কাঠমিলের শ্রমিক। ইতিমধ্যে চিকিৎসার পিছনে অনেক টাকা খরচ করে ফেলেছেন। বর্তমানে একাধিক সরকারি হাসপাতালে ছুটছেন। কিন্তু তাতেও জিশানের শারীরিক অবস্থার তেমন কোনও হেরফের হয়নি। ওজন বাড়ছেই। মুনসাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্লক প্রশাসন। বাংলার বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন মুনসাদ। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। বাড়ি পেয়ে খানিক স্বস্তিতে। কিন্তু জিশানকে আদৌ সুস্থ করা যাবে কি না, তা নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই পরিবারের সকলের। সাগরদিঘির বিডিও সঞ্চয় শিকদার বলেন, ‘পরিবারটি আমার সঙ্গে দেখা করেছে। ছেলেটির কথা ভেবে আবাস যোজনায় ঘর দেওয়া হয়েছে।’
সাগরদিঘির কাবিলপুর পঞ্চায়েতের মথুরাপুরের বাসিন্দা মুনসাদের দুই ছেলে ও এক কন্যাসন্তান।মেজ ছেলে জিশান। জন্ম থেকে সে স্বাস্থ্যবান। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দেহের ওজনও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি হতে থাকে। তিন বছর বয়সেই দেহের ওজন ৪০ কিলো হয়ে যায়। তখন থেকেই খাবার বেশি দিতে হয়। পরে বয়স যত বেড়েছে, ওজনও ততটাই বেড়েছে। প্রতিদিন এক কিলো চালের ভাত রান্না করতে শুধু জিশানের জন্য। ইদানীং তাতেও কুলোচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। রুটি খেলে একসঙ্গে গোটা বিশ থেকে ৩০টি।
সমস্যার শেষ এখানেও নয়।জিশানের পোশাক মেলে না কোনও দোকানেই। বাধ্য হয়েই দর্জি দিয়ে ঢিলেঢালা পোষাক তৈরি করাতে হয়। অস্বাভাবিক স্তূলতার কারণে হাঁটাচলা কম করে জিশান। শুয়ে বসেই তার দিন কাটে। স্কুলেও যায় জিশান। পাড়া-প্রতিবেশীরা জিশানকে নিয়ে চর্চা করে। তবে, সকলেই তাকেখুব ভালো বাসেন। জিশানের বাবা বলেন, ‘আমিএকটি কাঠ মিলে কাজ করি। কাঁচাবাড়িতে থাকি। তবুও আবাসের বাড়ির তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে দেয়। বিডিও সাহেবকে বিষয়টি বলি। ছেলের খাবার জোটাতে পারি না। একটা বাড়ি দিলে অন্তত ঘরের দুঃশ্চিন্তাটা কমে। ছেলের সমস্যার কথা জেনে বিডিও সাহেব বাড়ি দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছে।
সাগরদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে সুপার সরবিন্দু বাগবলেন, ‘এমন কোনও সমস্যা নিয়ে আমার কাছ কেউ আসেনি। হাসপাতালে এলে তার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হবে। কোনও সমস্যা থাকলে চিকিৎসা করা হবে। জটিল কোন সমস্যা ধরা পড়লে মেডিক্যালে যাতে চিকিৎসা হয়, তার বন্দোবস্ত করা হবে।’
সাগরদিঘির কাবিলপুর পঞ্চায়েতের মথুরাপুরের বাসিন্দা মুনসাদের দুই ছেলে ও এক কন্যাসন্তান।মেজ ছেলে জিশান। জন্ম থেকে সে স্বাস্থ্যবান। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দেহের ওজনও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি হতে থাকে। তিন বছর বয়সেই দেহের ওজন ৪০ কিলো হয়ে যায়। তখন থেকেই খাবার বেশি দিতে হয়। পরে বয়স যত বেড়েছে, ওজনও ততটাই বেড়েছে। প্রতিদিন এক কিলো চালের ভাত রান্না করতে শুধু জিশানের জন্য। ইদানীং তাতেও কুলোচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। রুটি খেলে একসঙ্গে গোটা বিশ থেকে ৩০টি।
সমস্যার শেষ এখানেও নয়।জিশানের পোশাক মেলে না কোনও দোকানেই। বাধ্য হয়েই দর্জি দিয়ে ঢিলেঢালা পোষাক তৈরি করাতে হয়। অস্বাভাবিক স্তূলতার কারণে হাঁটাচলা কম করে জিশান। শুয়ে বসেই তার দিন কাটে। স্কুলেও যায় জিশান। পাড়া-প্রতিবেশীরা জিশানকে নিয়ে চর্চা করে। তবে, সকলেই তাকেখুব ভালো বাসেন। জিশানের বাবা বলেন, ‘আমিএকটি কাঠ মিলে কাজ করি। কাঁচাবাড়িতে থাকি। তবুও আবাসের বাড়ির তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে দেয়। বিডিও সাহেবকে বিষয়টি বলি। ছেলের খাবার জোটাতে পারি না। একটা বাড়ি দিলে অন্তত ঘরের দুঃশ্চিন্তাটা কমে। ছেলের সমস্যার কথা জেনে বিডিও সাহেব বাড়ি দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছে।
সাগরদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে সুপার সরবিন্দু বাগবলেন, ‘এমন কোনও সমস্যা নিয়ে আমার কাছ কেউ আসেনি। হাসপাতালে এলে তার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হবে। কোনও সমস্যা থাকলে চিকিৎসা করা হবে। জটিল কোন সমস্যা ধরা পড়লে মেডিক্যালে যাতে চিকিৎসা হয়, তার বন্দোবস্ত করা হবে।’



