সংবাদদাতা, কাটোয়া: অশান্ত নেপাল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন পর্যটকরা। যার জেরে ক্ষতির মুখে কাটোয়ার পর্যটন সংস্থাগুলি। নেপালের বিকল্প হিসেবে সিকিমকে বেছে নিচ্ছেন অনেকে।
সংবাদদাতা, কাটোয়া: অশান্ত নেপাল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন পর্যটকরা। যার জেরে ক্ষতির মুখে কাটোয়ার পর্যটন সংস্থাগুলি। নেপালের বিকল্প হিসেবে সিকিমকে বেছে নিচ্ছেন অনেকে।
এবারে পুজোর ছুটিতে কাটোয়ার প্রায় শ’ দুয়েক মানুষ নেপাল ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু সে দেশে গণঅভ্যুত্থানের জেরে পর্যটকরা ঝুঁকি নিচ্ছেন না। বুকিং বাতিল করেছেন সবাই।
কাটোয়া শহরের বেশ কয়েকটি ট্যুর এজেন্সি তাদের পুজোর বিশেষ প্যাকেজে নেপালের কাঠমাণ্ডু, পোখরা, চিতাবন, বীরগঞ্জে ট্যুর রেখেছিল। কিন্তু অশান্ত পরিস্থিতির কারণে সেইসব প্যাকেজ ট্যুর বাতিল করতে হয়েছে। শহরের এমনই এক এজেন্সির কর্তা তুহিন দাস বলেন, আমাদের পুজোর জন্য বিশেষ প্যাকেজ ছিল। হোটেল থেকে শুরু করে সবকিছু বুকিং হয়ে গিয়েছিল। এখন সব বাতিল করা হয়েছে। কারণ পর্যটকরা নেপাল যেতে চাইছেন না। আমাদের বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। কারণ নেপালে যেসব হোটেল বুকিং করেছিলাম, সেখানে আগাম টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্লেনের টিকিট বুকিং হয়ে গিয়েছিল। কী করব এখন বুঝতে পারছি না। শহরের আরেক এজেন্সির মালিক মৈনাক আচার্য বলছেন, আমাদের ২৫, ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ট্যুর ছিল। আমাদের তিনটি দলে ৬৫ জন পর্যটক নিয়ে নেপাল যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে পর্যটকরা আর যেতে চাইছেন না। আমরা অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। এবার পর্যটকরা তাতে কতটা রাজি হবেন সেটা নিয়েও সংশয় রয়েছে। কাটোয়া শহরের ট্যুর এজেন্সির মালিক সঞ্জয় দাস বলেন, নেপালে এখন যা চলছে, তাতে পর্যটকদের নিয়ে এক্কেবারেই যাওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে পর্যটকদের সিকিম বা অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া যায় কি না, দেখতে হবে। প্রতিবছর বহু পর্যটক নেপালে ঘুরতে যান, কিংবা ট্রেকিং করতে যান। কিন্তু গণ অভ্যুত্থানের জেরে অশান্ত নেপালে আপাতত আর কেউই যেতে চাইছেন না। কতদিনে এই অবস্থার পরিবর্তন হয়, সেদিকেই তাকিয়ে ট্যুর এজেন্সিগুলি।