সংবাদদাতা, বসিরহাট: পুজো দেখা, সঙ্গে ইছামতী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন, পাশপিাশি দুই বাংলার সৌন্দর্য উপভোগ– পুজোর ছুটিতে এমন এক ঢিলে বেশ কয়েকটি পাখি মারতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন টাকিতে। সেজে উঠেছে ইছামতী নদীর পাড়। টাকিতে দাঁড়িয়েই অনায়াসে দেখতে পাবেন ওপার বাংলাদেশের সাতক্ষীরা গ্রাম। একাধিক দর্শনীয় জায়গার মধ্যে আছে মাছরাঙা দ্বীপ, টাকি জমিদার পুবের বাড়ি, ইছামতী নদীতে নৌকা ভ্রমণ, মিনি সুন্দরবন ইত্যাদি। এমনসব মনোরম পরিবেশে কয়েকটা দিন কাটাতে পারেন টাকির এই পর্যটন কেন্দ্রে।
দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক আগে থেকেই গেস্ট হাউসগুলি বুকিং করে রাখেন পুজোর ছুটিতে ইছামতী নদীর পাড়ে নিরিবিলিতে কিছুদিন কাটানোর জন্য। এবার যেমন পুজো শুরুর আগেই টাকিতে চলে এসেছেন এক পর্যটক শঙ্কর রায়। তিনি বললেন, টাকির বিসর্জন খুবই ভালো লাগে। এমন ছোট্ট একটি শহর থেকে দুই বাংলার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা এক কথায় অনবদ্য। মন ছুঁয়ে যায় সকলের। প্রতিবছর বিসর্জনের দিনটা দেখার জন্য টাকিতে আসি। কিন্তু এবার আগে থেকেই চলে এসেছি। কয়েকটা দিন কাটিয়ে বাড়ি ফিরব।
এই বিষয়ে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক ডাঃ সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, টাকির ইছামতী পাড় বরাবর একাধিক জায়গায় সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে। একাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শনও আছে এই টাকিতে। এসবই পর্যটকদের মন ছুঁয়ে যায়। টাকি পুরসভা ও প্রশাসনের তরফ থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সব রকমের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থাও করা হয়। আগামী দিনে এই পর্যটন কেন্দ্রে আরও সৌন্দর্যায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।