Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার মোট ২৫টি দেহ, ১১টি বাংলার, আর কেউ আটকে নেই, দাবি সিকিম প্রশাসনের

সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার মোট ২৫টি দেহ, ১১টি বাংলার, আর কেউ আটকে নেই, দাবি সিকিম প্রশাসনের
  • ২৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: সিকিমে সুড়ঙ্গে বিস্ফোরণে বাংলার ১১ জনসহ মোট ২৫ জনের দেহ উদ্ধার হল। টানেলের ভিতর আর কেউ আটকে নেই। সরকারিভাবে উদ্ধারকার্য শেষ করে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিল সিকিম রাজ্য প্রশাসন। বুধবার রাত পর্যন্ত ২২টি দেহ উদ্ধার হয়। এদিন উদ্ধার হয় আরও তিনটি। 

Advertisement

সিকিম পুলিশের দাবি, সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ে মৃতদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ১১ জন ছাড়াও ঝাড়খণ্ডের চারজন, জম্মু ও কাশ্মীরের দুজন, উত্তরাখণ্ডের দুজন এবং কেরল, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, সিকিম, পাঞ্জাব ও অসমের একজন করে রয়েছেন। এনএইচপিসি ছাড়া আরও দুটি সংস্থার তরফে কর্মী ও আধিকারিকরা ওই সুড়ঙ্গে কাজে গিয়েছিলেন। এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ জানতে সিকিম পুলিশের আইজি (আইনশৃঙ্খলা) তাশি ওয়াংয়ালকে মাথায় রেখে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গড়েছে সে-রাজ্যের সরকার। কমিটিকে দ্রুত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সিকিম সরকারের কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা না-পড়া পর্যন্ত ওই সুড়ঙ্গে কোনো কাজ হবে না। প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তবে, ইতিমধ্যেই গ্যাংটকের এসটিএনএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সুড়ঙ্গে মৃত শ্যাম ওরাওঁ (৩১) নামে জলপাইগুড়ির এক যুবকের দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। তাছাড়া মৃতের বুকে পোড়ার চিহ্ন ও টানেলের ভিতর ধসে পড়া পাথরের আঘাতের নমুনাও মিলেছে।  
সিকিম পুলিশের দাবি, ২৫টি দেহ উদ্ধার হলেও এদিন বিকেল পর্যন্ত সবগুলি শনাক্ত করে উঠতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। যেগুলি শনাক্ত হচ্ছে, ময়নাতদন্তের পর সেই দেহগুলি পরিবারের সদস্যরা যাতে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যদি কোনো দেহ পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করতে না-পারেন, প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা হবে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেই দেহগুলি বুধবার রাত থেকে একে একে অ্যাম্বুলেন্সে ফিরতে শুরু করেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ