নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তৈরি রামলীলা ময়দান। মিন্টো রোড-কনট প্লেস মোড় থেকে সেদিকেই এগিয়ে চলেছে হুডখোলা গাড়ি। কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, সিপিএম, আরজেডি সহ বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলের পতাকার তরঙ্গে। ৪ হাজার পুলিশের আঁটসাঁট নিরাপত্তার মাঝে সমুদ্রের মতো জনগর্জন। আর মিন্টোরোড-কনট প্লেস ক্রসিং থেকে সভাস্থল পর্যন্ত মিছিলে পা মেলাল লাখো দেশবাসী। জনসমর্থনের জোয়ারে ১.৭ কিলোমিটার পথ পেরতেই রাহুল গান্ধীদের লেগে গেল ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। সমাবেশস্থলে যখন পৌঁছালেন, ঘড়ির কাঁটায় তখন দুপুর ৩টে ৬ মিনিট। হুড খোলা জঙ্গল সাফারি গাড়িতে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা, মমতা, অখিলেশ, এম এ বেবি, তেজস্বীরা একসঙ্গে। পতাকা, ব্যানার, পোস্টার উঁচিয়ে ইন্ডিয়া জোটের কর্মীদের স্লোগান— বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও। জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দাও। ভিড় ঠেলে ধীর গতিতে চলছে গাড়ি। রবিবার ভোর থেকে জমায়েত শুরু হয়। বেলা বাড়তে রাজপথজুড়ে শুধুই কালো মাথা। রবিবার এমনই দৃশ্যের সাক্ষী থাকল রাজধানী দিল্লি।
এদিনের মিছিল ও সমাবেশকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় গোটা দিল্লি। পুলিশ ব্যারিকেডের পাশাপাশি একাধিক সিসি ক্যামেরাও বসানো হয়েছে। সভাকে কেন্দ্র করে গুরুগ্রাম ও সোনিপতে দিল্লির সীমানায় গাড়ি তল্লাশিতে জোর দেওয়া হয়েছে। এর জেরে দীর্ঘক্ষণ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে শত শত গাড়ি, বাস, ট্রাক। এরইমাঝে কংগ্রস কর্মীদের অভিযোগ, দিল্লির রামলীলা ময়দানে যেতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। এক্ষেত্রে দূষণের বিধিনিষেধকে হাতিয়ার করেছে প্রশাসন।



