ভোপাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরীর থেকে তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ বেশি। মধ্যপ্রদেশে রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন পুরী। মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে পুরীর হলফনামা পেশ করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পুরীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৬.৫৪ কোটি টাকা। পশ্চিম দিল্লিতে একটি আবাসিক সম্পত্তি সহ স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি টাকা। গত পাঁচ বছরে মন্ত্রীর বার্ষিক আয় ৬৩.৩৬ লক্ষ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৫.৫৭ লক্ষ টাকা। পুরী তাঁর পেনশন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসাবে প্রাপ্ত বেতন, দিল্লির সম্পত্তি থেকে ভাড়া ও ব্যাংক আমানতের সুদকে আয়ের উৎস হিসাবে দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ যথাক্রমে ১০.৬৬ কোটি ও ৯ কোটি টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে গ্রেটার নয়ডায় ১৯.৫২ লক্ষ টাকার একটি বাড়ি। এছাড়া সুইজারল্যান্ডের জেনিভায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট, ভারতীয় মুদ্রায় এর মূল্য ৩৪ কোটি টাকা। হলফনামা অনুসারে, এছাড়াও লক্ষ্মী পুরীর রয়েছে ২.৭৫ কোটি টাকা সঞ্চয়। আর গত পাঁচ বছরে পুরীর যেখানে বার্ষিক আয় বেড়েছে ১২.২১ লক্ষ টাকা, সেখানে তাঁর স্ত্রীর এই আয় ১৫.৩৯ লক্ষ টাকা ১১ গুণ বেড়ে হয়েছে ১.৬৯ কোটি টাকা। ভারত সরকার ও রাষ্ট্রসংঘ থেকে প্রাপ্ত পেনশন, জেনিভার সম্পত্তির ভাড়া ও ব্যাংক আমানতের সুদ তাঁর আয়ের উৎস হিসাবে হলফনামায় দেখানো হয়েছে। উল্লেখ্য, লক্ষ্মী পুরী অবসরপ্রাপ্ত ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস অফিসার। কূটনীতিক ও রাষ্ট্রসংঘের আধিকারিক হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। হলফনামা অনুসারে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাতে রয়েছে ১০ হাজার টাকা নগদ ও তাঁর ২২ লক্ষ টাকা দামের একটি গাড়ি রয়েছে। তাঁর স্ত্রীর হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা ও ৪৫ লক্ষ টাকার গয়না রয়েছে।



