Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খেলা চলাকালীন শিক্ষককে মার, অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, মেদিনীপুরের ঘটনার ‘অ্যাকশন রিপ্লে’ ভাঙড়ে

এ যেন মেদিনীপুরের ফুটবল ম্যাচের ‘অ্যাকশন রিপ্লে’। মেদিনীপুরে ম্যাচ চলাকালীন তৃণমূল নেতার হাতে মার খেয়েছিলেন রেফারি।

খেলা চলাকালীন শিক্ষককে মার, অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, মেদিনীপুরের ঘটনার ‘অ্যাকশন রিপ্লে’ ভাঙড়ে
  • ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এ যেন মেদিনীপুরের ফুটবল ম্যাচের ‘অ্যাকশন রিপ্লে’। মেদিনীপুরে ম্যাচ চলাকালীন তৃণমূল নেতার হাতে মার খেয়েছিলেন রেফারি। আর ভাঙড়ে স্কুল স্তরের ফুটবল ম্যাচে সেই তৃণমূল বাহিনীর হাতেই বেদম মার খেলেন হাই মাদ্রাসার এক শিক্ষক। শনিবার ছিল ‘খেলা হবে দিবস’। একে ঘিরে গত তিনদিন ধরে আন্তঃ স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। শনিবার ছিল ফাইনাল। এই ম্যাচে মুখোমুখি হয় ভগবানপুর হাইস্কুল ও হাতিশালা সরোজিনী হাই মাদ্রাসা। কিন্তু দু’দলই পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রাক্তন ছাত্রদের খেলানোর অভিযোগ তুললে উত্তেজনা তৈরি হয়। একারণে কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। ফের শুরু হলেও ম্যাচ শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে হাই মাদ্রাসার শিক্ষক নাসিরুদ্দিনকে মাঠের বাইরে ডেকে লাথি, চড়, ঘুসি মারে তৃণমূলের কর্মীরা। অভিযোগ, এই হামলায় ভাঙড়ের ভগবানপুর অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি তথা ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ খইরুল ইসলামের নাম জড়িয়েছে। যদিও ওই নেতা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জানা গিয়েছে, নাসিরুদ্দিন এব্যাপারে উত্তর কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Advertisement

ফাইনাল খেলা উপলক্ষ্যে ওইদিন মাঠে হাজির ছিলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা, ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ, বিডিও পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত ফুটবলার মেহতাব হোসেন প্রমুখ। তাঁদের উপস্থিতিতেই এই ঘটনা ঘটে। খেলার শেষ পর্বে হাতিশালা সরোজিনী হাই মাদ্রাসা শিক্ষককে মাঠের বাইরে ডেকে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করা হলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে দল তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওই শিক্ষক। উদ্যোক্তারা তাঁদের বারবার অনুরোধ করলেও তাঁরা তাতে কর্ণপাত করেননি। এক সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় বিডিও তড়িঘড়ি ফাইনাল ম্যাচ স্থগিত করে দেন।
এদিকে, এই ঘটনা নিয়ে অভিযুক্ত খইরুল ইসলাম বলেন, আমি মঞ্চে বসেছিলাম। মাঠের বাইরে কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমি দোষী হলে প্রশাসন আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক। ওই শিক্ষক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছেন। আমি তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ