হায়দরাবাদ, ২৩ জানুয়ারি: তেলেঙ্গানায় নৃশংসতার চরমতম নির্দশন। নিজের স্ত্রীকে খুন করে, সেই দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে, দেহাংশ প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করল স্বামী! সম্প্রতি গা শিউরে ওঠা এই ঘটনা ঘটেছে তেলেঙ্গানার রাঙ্গা রেড্ডি জেলায়। আবার এখানেই এই কাণ্ডের শেষ নয়। খুনের প্রমাণ লোপাটে দেহাংশ সেদ্ধ করে তা থেকে হাড় ও মাংস আলাদা করার পর হায়দরাবাদের একটি জলাশয়ে ফেলে দিয়েছিল অভিযুক্ত ‘গুণধর’ স্বামী। ঘটনার নৃশংসতায় হতবাক দুঁদে পুলিস কর্তারাও।
Advertisement
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত স্বামী গুরু মূর্তি সেনার একজন সদস্য ছিল। তার নার্ভ শক্তিশালী। ঠান্ডা মাথায় সুপরিকল্পিত ভাবে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। পুলিস সূত্রে খবর, গত ১৬ জানুয়ারি মীরপেট থানায় মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মৃতার মা-বাবা। সেই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসে। যদিও প্রথমে পুলিসকে ধোঁকা দিতে কিছুই না জানার ভান করেছিল গুরু মূর্তি। পরে জিজ্ঞাসাবাদে এই ঘটনা সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়ে পড়ে।
এখন পর্যন্ত তদন্তে পুলিসের অনুমান, সন্দেহের বশবর্তী হয়েই স্ত্রীকে খুন করেছিল অভিযুক্ত। এরপর বাথরুমে দেহ নিয়ে গিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে, দেহাংশ তিন দিন ধরে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল সে। তবে শত চেষ্টাতেও পুলিসকে ফাঁকি দিতে পারেনি অভিযুক্ত। জোরকদমে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত তদন্তে পুলিসের অনুমান, সন্দেহের বশবর্তী হয়েই স্ত্রীকে খুন করেছিল অভিযুক্ত। এরপর বাথরুমে দেহ নিয়ে গিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে, দেহাংশ তিন দিন ধরে প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল সে। তবে শত চেষ্টাতেও পুলিসকে ফাঁকি দিতে পারেনি অভিযুক্ত। জোরকদমে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।



