জোহানেসবার্গ: বিশ্বসেরার মেজাজেই দক্ষিণ অফ্রিকায় টি-২০ সিরিজ জিতল ভারত। শুক্রবার চতুর্থ তথা শেষ ম্যাচে প্রোটিয়া বাহিনীকে ১৩৫ রানে উড়িয়ে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় সূর্যকুমার যাদবদের। এদিন ভারত এক উইকেটে তুলল ২৮৩। দ্য ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে এটাই সর্বাধিক স্কোর। এই ফরম্যাটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও এটা সবচেয়ে বেশি রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৮.২ ওভারে ১৪৮ রানে গুটিয়ে গেল আয়োজক দেশ। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বল হাতে দুরন্ত সফল ভারতীয় বোলাররাও। তবে সঞ্জু স্যামসন ও তিলক ভার্মার জোড়া শতরানে শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল প্রোটিয়া ব্রিগেড।
Advertisement
এদিন সুনামি হয়ে উঠলেন তিলক (অপরাজিত ১২০) ও সঞ্জু (অপরাজিত ১০৯)। তিলক টানা দুই ম্যাচে হাঁকালেন শতরান। এই কীর্তিতে তিনি স্পর্শ করলেন সঞ্জুকে। বুধবার সেঞ্চুরিয়নের পর এদিন জোহানেসবার্গও মাতালেন বাঁ হাতি। অন্যদিকে, সিরিজের দ্বিতীয় শতরান স্যামসনের। কেরিয়ারে এটা তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরি। বাংলাদেশ থেকে ধরলে এটি তাঁর পঞ্চম ম্যাচে তিন নম্বর সেঞ্চুরি। অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেটে ৮৬ বলে সঞ্জু-তিলক যোগ করলেন ২১০ রান। এটাও রেকর্ড। ভারতীয় দল এদিন ২৩টি ছক্কা হাঁকাল। টি-২০ ফরম্যাটে কোনও ইনিংসে নজির।
প্রথম তিন ম্যাচেই কয়েন ভাগ্য ভালো ছিল না সূর্যকুমার যাদবের। এদিন টস জিতে সেই ব্যাটিংই নিলেন ভারত অধিনায়ক। আর শুরু থেকেই মারমার-কাটকাট মেজাজে শুরু করলেন ওপেনাররা। পঞ্চাশ এল মাত্র ২৫ বলে। প্রথম উইকেটে উঠল ৭৩। অভিষেক শর্মা ১৮ বলে ৩৬ করে ফিরলেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে চারটি ছক্কা ও দুটো চার। প্রথম ম্যাচে শতরানের পর দুই ম্যাচে খাতাই খোলেননি সঞ্জু। এদিন ফের ঝলসে উঠল তাঁর ব্যাট। ২৮ বলে পঞ্চাশের পর শতরানে পৌঁছলেন ৫১ বলে। সঞ্জুর ৫৬ বলের ১০৯ রানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও ৯টি ছয়। তিন নম্বরে নামা তিলকের ব্যাটেও দেখা গেল চার-ছক্কার ফুলঝুরি। বুধবারই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম শতরান করেছিলেন। সেই মেজাজেই শুরু করলেন এদিন। অর্ধশতরান এল মাত্র ২২ বলে। যেভাবে খেলছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল, রোহিত শর্মার ৩৫ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড তিনি ভাঙতে চলেছেন। শেষ পর্যন্ত তা না হলেও তিন অঙ্কে পৌঁছতে তাঁর লাগল ৪১ বল। ৪৭ বলের ইনিংসে তিনি মারলেন ৯টি চার ও ১০টি ছয়।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। রায়ন রিকিলসনকে এক রানেই ফেরান হার্দিক পান্ডিয়া। অপর ওপেনার রিজা হেনড্রিকস খাতা না খুলেই ড্রেসিংরুমে ফেরেন অর্শদীপ সিংয়ের দুরন্ত ডেলিভারিতে। ব্যর্থ আইডেন মার্করাম (৮) ও হেনরিক ক্লাসেন (০)। ইনিংসের হাল ধরেছিলেন ট্রিস্টান স্টাবস এবং ডেভিড মিলার। দু’জনের পার্টনারশিপে ওঠে ৮৬ রান। তবে বরুণ চক্রবর্তী ৩৬ রানে মিলারকে ফেরাতেই ফের ভাঙন ধরে প্রোটিয়া বাহিনীর ব্যাটিং অর্ডারে। স্টাবস করলেন ৪৩ রান। শেষ দিকে মার্কো জনসেন (অপরাজিত ২৯ রান) চেষ্টা করলেও লোয়ার অর্ডার দাঁড়াতেই পারেনি। ভারতের হয়ে তিন উইকেট নিলেন অর্শদীপ সিং। দু’টি করে শিকার বরুণ চক্রবর্তী ও অক্ষর প্যাটেলের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ২৮৩-১ (তিলক অপরাজিত অপরাজিত ১২০, সঞ্জু অপরাজিত ১০৯)। দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮.২ ওভারে ১৪৮ (স্টাবস ৩৪, মিলার ৩৬, অর্শদীপ ৩-২০) ভারত জয়ী ১৩৫ রানে
প্রথম তিন ম্যাচেই কয়েন ভাগ্য ভালো ছিল না সূর্যকুমার যাদবের। এদিন টস জিতে সেই ব্যাটিংই নিলেন ভারত অধিনায়ক। আর শুরু থেকেই মারমার-কাটকাট মেজাজে শুরু করলেন ওপেনাররা। পঞ্চাশ এল মাত্র ২৫ বলে। প্রথম উইকেটে উঠল ৭৩। অভিষেক শর্মা ১৮ বলে ৩৬ করে ফিরলেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে চারটি ছক্কা ও দুটো চার। প্রথম ম্যাচে শতরানের পর দুই ম্যাচে খাতাই খোলেননি সঞ্জু। এদিন ফের ঝলসে উঠল তাঁর ব্যাট। ২৮ বলে পঞ্চাশের পর শতরানে পৌঁছলেন ৫১ বলে। সঞ্জুর ৫৬ বলের ১০৯ রানের ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও ৯টি ছয়। তিন নম্বরে নামা তিলকের ব্যাটেও দেখা গেল চার-ছক্কার ফুলঝুরি। বুধবারই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম শতরান করেছিলেন। সেই মেজাজেই শুরু করলেন এদিন। অর্ধশতরান এল মাত্র ২২ বলে। যেভাবে খেলছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল, রোহিত শর্মার ৩৫ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড তিনি ভাঙতে চলেছেন। শেষ পর্যন্ত তা না হলেও তিন অঙ্কে পৌঁছতে তাঁর লাগল ৪১ বল। ৪৭ বলের ইনিংসে তিনি মারলেন ৯টি চার ও ১০টি ছয়।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। রায়ন রিকিলসনকে এক রানেই ফেরান হার্দিক পান্ডিয়া। অপর ওপেনার রিজা হেনড্রিকস খাতা না খুলেই ড্রেসিংরুমে ফেরেন অর্শদীপ সিংয়ের দুরন্ত ডেলিভারিতে। ব্যর্থ আইডেন মার্করাম (৮) ও হেনরিক ক্লাসেন (০)। ইনিংসের হাল ধরেছিলেন ট্রিস্টান স্টাবস এবং ডেভিড মিলার। দু’জনের পার্টনারশিপে ওঠে ৮৬ রান। তবে বরুণ চক্রবর্তী ৩৬ রানে মিলারকে ফেরাতেই ফের ভাঙন ধরে প্রোটিয়া বাহিনীর ব্যাটিং অর্ডারে। স্টাবস করলেন ৪৩ রান। শেষ দিকে মার্কো জনসেন (অপরাজিত ২৯ রান) চেষ্টা করলেও লোয়ার অর্ডার দাঁড়াতেই পারেনি। ভারতের হয়ে তিন উইকেট নিলেন অর্শদীপ সিং। দু’টি করে শিকার বরুণ চক্রবর্তী ও অক্ষর প্যাটেলের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ২৮৩-১ (তিলক অপরাজিত অপরাজিত ১২০, সঞ্জু অপরাজিত ১০৯)। দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮.২ ওভারে ১৪৮ (স্টাবস ৩৪, মিলার ৩৬, অর্শদীপ ৩-২০) ভারত জয়ী ১৩৫ রানে



