Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

টাকার বিপুল পতন, মার্চ থেকেই দাম বাড়তে পারে এসি-ফ্রিজ-মোবাইলের

টাকার বিপুল পতন, মার্চ থেকেই দাম বাড়তে পারে এসি-ফ্রিজ-মোবাইলের
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ঘাটতি বৃদ্ধি। আমদানির হার কমে গিয়ে অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য না থাকা। ফলে মূল্যবৃদ্ধি। ডলারের বিনিময়ে টাকার মূল্যের বিপজ্জনক পতন শুধু যে এই ফ্যাক্টরগুলির সঙ্কট বাড়িয়ে অর্থনীতিকে বিপদে ফেলছে তা নয়। এবার নিত্য প্রয়োজনীয় একঝাঁক ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়তে চলেছে। নামে ভোগ্যপণ্য হলেও যে পণ্যগুলির দাম এক ধাক্কায় বাড়তে চলেছে সেগুলি এখন আর শুধু ধনী নয়, মধ্যবিত্তও ব্যবহার করে একইরকমভাবে। এই তালিকায় সবথেকে এগিয়ে রয়েছে এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল হ্যান্ডসেট। এই পণ্যগুলির দাম কয়েক মাসের মধ্যেই অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে বণিকসভাগুলি এবং ট্রেডার্স ও মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। কারণ এই পণ্যগুলির উৎপাদনের যন্ত্রাংশ ও উপকরণগুলির ৩৫ থেকে ৫৫ শতাংশই আমদানি করতে হয় ভিয়েতনাম, চীন এবং থাইল্যান্ড থেকে। এই পণ্যগুলির যে অংশটি প্রিমিয়াম প্রোডাক্ট হিসেবে গণ্য অর্থাৎ বেশি দামি, সেগুলির দাম বাড়বে অন্তত ৮ থেকে ১০ শতাংশ।  তুলনায় কম দামের পণ্যগুলির দাম বাড়তে পারে ৫ শতাংশ পর্যন্ত। যেগুলিকে বাণিজ্য পরিভাষায় বলা হয় এন্ট্রি লেভেল। যেমন মোবাইলের ক্ষেত্রে যেগুলির দাম ১০ হাজার টাকার কম। বাণিজ্য এবং উৎপাদন সংগঠনগুলির থেকে এই মর্মেই রিপোর্ট পেয়ে বণিকসভাগুলি মনে করছে দাম বাড়বে মার্চ মাস থেকে। এখনই টাকার পতন আকাশ ছুঁয়েছে, ৮৭ টাকা স্পর্শ করতে চলেছে। আসন্ন বাজেটে সরকার এই সব পণ্যের শুল্ক কাঠামো নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করছে উৎপাদন সেক্টর। যদি সরকার এইসব পণ্যের যন্ত্রাংশ ও উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে সুরাহা দেয়, তবে দাম তেমন বাড়বে না। অন্যথায় মার্চ মাস থেকেই দাম বাড়তে পারে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ