Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

টাইটানিক জাহাজের চমক কুদভেড়ির হীরাকনিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির

প্রতিবছরই পুজো মণ্ডপ কিংবা প্রতিমায় দর্শনার্থীদের চমক দেয় কাঁথি-১ ব্লকের বাদলপুর পঞ্চায়েতের কুদভেড়ির ‘হীরাকনিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি’।

টাইটানিক জাহাজের চমক কুদভেড়ির হীরাকনিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:০৯
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাঁথি: প্রতিবছরই পুজো মণ্ডপ কিংবা প্রতিমায় দর্শনার্থীদের চমক দেয় কাঁথি-১ ব্লকের বাদলপুর পঞ্চায়েতের কুদভেড়ির ‘হীরাকনিয়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি’। এবার টাইটানিক জাহাজের আদলে মণ্ডপ গড়ে তারা দর্শনার্থীদের মন জয় করতে চাইছে। পুজোর দিনগুলিতে ভিড় উপচে পড়বে বলে তারা জানিয়েছে।

Advertisement

এর আগে বিগত বছরগুলিতে কখনও নজর কেড়েছে  ‘বুর্জখলিফা’,   একান্ন সতীপীঠ, দক্ষিণ ভারতের স্বামীনারায়ণ মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। কখনও তাক লাগিয়েছে ৫০ফুট উচ্চতার দুর্গা কিংবা হাজার হাতের দুর্গা। এভাবেই বেশ কয়েকবছর ধরে নানা থিমের মণ্ডপ-প্রতিমার বাহারে দর্শনার্থীদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে হীরাকনিয়ার পুজো। এবার ৫৭তম বর্ষের পুজোয় দর্শনার্থীদের জন্য উপহার টাইটানিক জাহাজ। প্লাইয়ের উপর নানা সামগ্রী দিয়ে টাইটানিক জাহাজের আদল ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। সঙ্গে মাটির ভাঁড়ের ২৭ফুটের প্রতিমা। গোটা প্রতিমায় থাকবে অসংখ্য মাটির ভাঁড়। তৈরি করছেন কুমোরটুলির শিল্পী জয়দেব বর। মণ্ডপসজজ্জার দায়িত্বে রয়েছেন স্বপন মণ্ডল। মণ্ডপজুড়ে চন্দননগরের বাহারি আলোর সম্ভার নজর কাড়বে। পুজোকে ঘিরে কুদভেড়ি সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা ক’টা দিন আনন্দোৎসবে মেতে ওঠেন। বহু দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন মণ্ডপ দর্শনে আসেন।
দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি সুব্রত মহাপাত্র, সহ-সভাপতি নির্মল মাইতি, যুগ্ম সম্পাদক সৌভিক জানা ও সুমন দাস বলেন, মানুষকে শারদোৎসবের আনন্দে শামিল করাই আমাদের লক্ষ্য। যুগ্ম সহ-সম্পাদক সন্দীপ জানা ও অলক জানা বলেন, পুজো সাফল্যমণ্ডিত করে তুলতে গ্রামবাসী সহ বহু মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। 
পাঁচ দশক আগে কুদভেড়ি সহ আশপাশের এলাকায় কোনও দুর্গাপুজো ছিল না। এলাকাবাসীকে পুজোয় শামিল হতে গেলে বেশ কিছুটা দূরে চন্দনপুর সর্বজনীনের পুজো কিংবা দুলালপুরের মাইতিবাড়িতে যেতে হতো। তখন এলাকার কিছু উৎসাহী ও উদ্যমী যুবক মিলে মা দুর্গার আরাধনা করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের অনেকেই তখন কলকাতায় কর্মরত ছিলেন। কলকাতায় বসেই পুজো শুরু করার পরিকল্পনা হয়। ১৯৭৭-৭৮সালে মাত্র ৫০০টাকা দিয়ে সাতজন পুজো শুরু করেন। যাঁদের হাত ধরে পুজোর সূচনা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে আজ কেউ বেঁচে আছেন, কেউ নেই। কিন্তু, পুজো এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ২০০ ছুঁইছুঁই। এবার তাদের থিম দর্শনার্থীদের মন জয় করবে বলে আশাবাদী পুজো উদ্যোক্তারা।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ