Bartaman Logo
৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আলো-পাখা ছাড়াই চলছিল ১০ বছর, অবশেষে বিদ্যুৎ সংযোগ পেল টিটাগড়ের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র

টিটাগড় পুরসভা এলাকায় দশ বছর ধরে একটি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র বিদ্যুৎহীন একটি ঘরে চলছিল।

আলো-পাখা ছাড়াই চলছিল ১০ বছর, অবশেষে বিদ্যুৎ সংযোগ পেল টিটাগড়ের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র
  • ৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: টিটাগড় পুরসভা এলাকায় দশ বছর ধরে একটি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র বিদ্যুৎহীন একটি ঘরে চলছিল। কুড়িটির বেশি শিশুর পড়াশোনা ও রান্নার কাজ চলতো আলো-বাতাসহীন পরিবেশে। কোনও হেলদোল ছিল না পুরসভা ও প্রশাসনের। কিন্তু রাজ্যে পালাবদল হতেই ওই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রে পৌঁছে গেল বিদ্যুৎ। জ্বললো আলো, চললো পাখা। 

Advertisement

টিটাগড় পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দতীর্থ আর আর ক্যাম্প অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র চালু হয়েছিল ২০১৬ সালে। স্থানীয় একটি বাড়িতে ওই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রে ছিল না বিদ্যুৎ সংযোগ। ওই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের শিক্ষিকার দাবি, পাশেই তৃণমূলের পার্টি অফিস। কিন্তু আমাদের এই ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কোনও ব্যবস্থাই করেননি কেউ। টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরীর আমলে এই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রটি চালু হয়। তাঁকে বারবার বলা সত্ত্বেও তিনি কোনও উদ্যোগ নেননি। ওই শিক্ষিকার দাবি, পরবর্তী চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ এবং স্থানীয় কাউন্সিলার কেউই এই অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের জন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেননি। এক কর্মীর দাবি, এখানে প্রায় ২০ জন শিশু ও প্রসূতি মায়ের রান্না হয়। এভাবে অন্ধকারে রান্না করতে যেমন খুব অসুবিধা হয়, তেমনই ভয় হতো রান্নায় কিছু পড়ে না যায়। গরমেও খুব কষ্ট হতো। পরিস্থিতি এমন হয়েছিলো যে, এখানে শিশুদের পাঠাতেন না অভিভাবকরা। তবে এবার বিদ্যুৎ আসায় খুব ভালো লাগছে। বিজেপি নেতা রামু দে জানান, পাশেই তৃণমূলের জেলা কার্যালয়। তবুও বিগত দশ বছরে বিষয়টি কারও নজরে পরেনি। কলকাতার এত কাছে এভাবে একটি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র চলছিলো। অত্যন্ত অমানবিক বিষয়। এখানকার দিদিমণি জানাতেই আমি আলো ও পাখার ব্যবস্থা করেছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ