


ভোপাল: মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে রবিবার ত্বিশা শর্মার দেহ দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করলেন দিল্লি এইমসের চিকিৎসকরা। তারপর পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হয়। এদিন বিকেলে ত্বিশার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে, স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে ত্বিশা হত্যা মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে।
গত ১২ মে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রাক্তন মিস পুনে ত্বিশা শর্মার ঝুলন্ত দেহ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল, আত্মহত্যা করেছেন ত্বিশা। প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে রেখে পুলিশও তা নিশ্চিত করে। তবে ত্বিশার পরিবার মানতে চায়নি। দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের দাবিতে তাঁরা সরব হন। প্রথমে ভোপালের স্থানীয় আদালত দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের দাবি খারিজ করে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট পরিবারের দাবি মেনে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে সায় জানায়। সেইমতো রবিবার দিল্লি এইমসের চিকিৎসকদের বিশেষ দল ভোপাল এসে ত্বিশার দেহ ফের ময়নাতদন্ত করেন।
অন্যদিকে ত্বিশার মৃত্যুর পর থেকে টানা ১০ দিন পলাতক ছিলেন তাঁর স্বামী তথা আইনজীবী সমর্থ সিং। গ্রেপ্তারি এড়াতে আদালতে অগ্রিম জামিনের আবেদনও জানান তিনি। স্থানীয় আদালত তা খারিজ করলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। শুক্রবার জব্বলপুরের আদালতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার তাঁকে ৭ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেয় ভোপাল আদালত। এই আবহে ত্বিশা হত্যা মামলা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে গ্রহণ করল শীর্ষ আদালত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হেপাজতে থাকাকালীন সমর্থকে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। এতদিন কোথায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তিনি, আর কে তাঁকে সাহায্য করেছে, মৃত্যুর আগে ত্বিশার সঙ্গে কী হয়েছিল, ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় সমর্থকে সঠিকভাবে জানাতে হবে।