নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর, বারাসত ও সংবাদদাতা, বনগাঁ: তৃণমূল কংগ্রেস সরকার নিউটাউনে দুর্গাঙ্গন ও শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যস করেছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় সল্টলেকে জি সি ব্লকে কালীপুজোর উদ্বোধনে এসে তা নিয়ে বড়ো ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘একটা শুভ সংবাদ দিচ্ছি। সরকার সরাসরি মন্দির বানায় না। বিগত সরকার দুটো জায়গা ঠিক করেছিল সনাতনীদের খুশি করার জন্য। একটা শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির। ওখানে রাজ্যের আয়ুষ দপ্তরের সেন্ট্রাল কেন্দ্র করছি। মহাদেবের বড়ো মূর্তি হবে, মন্দির হবে। তার নীচে যোগ সেন্টার, আয়ুর্বেদ, হোমিয়োপ্যাথি, আয়ুষের পুরো পরিকাঠামো তৈরি করব।
আগের মুখ্যমন্ত্রী নিউটাউনে দুর্গাঙ্গনের ভূমিপুজো করেছিলেন। মুকেশ আম্বানি-অনন্ত আম্বানির আমন্ত্রণে গণপতি উৎসবে মুম্বই গিয়েছিলাম। তাঁদের বলেছি, রিজনেবল দামে জমিটা নিন। তিরুপতি বালাজি মন্দির তৈরি করুন। সকলে যাতে প্রসাদ ফ্রি-তে পায়, তার ব্যবস্থা করবেন। মুকেশজি কথা দিয়েছেন। টিম পাঠিয়ে দেখেও নিয়েছেন।’
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এলইডি কিনে ভারতীয় টাকা চীনে পাঠাবেন না, কুম্ভকারদের কাছ থেকে মাটির প্রদীপ কিনুন।’ এদিন মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণপুরের পল্লীশ্রী সংঘের পুজোর উদ্বোধনে বলেন, ‘স্মার্টসিটি নিউটাউন-রাজারহাটের কোনো বাড়িতে বেকার থাকবে না। নিউটাউনের চিড়িয়াটখানার আরও উন্নতি করব।’ চোরবাগানের মতো ঘটনা যেন না ঘটে, সে ব্যাপারে সতর্ক করেন তিনি।
এদিন মছলন্দপুরের ত্রিমূর্তি ক্লাবের কালীপুজোর উদ্বোধনে তিনি জানিয়েছেন, গোবরডাঙা হাসপাতালকে ১০০ বেডের, চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। মতুয়াধামে মাতৃসেনার ট্রাস্টের জায়গায় ঠাকুরের মন্দির বানানোর প্রাথমিক পর্যায়ের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ২ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে চাই।’ গাইঘাটার চাঁদপাড়া অভয় লায়ন্স ক্লাবের কালীপুজোর উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এবছর পুজোর জন্য কাউকে হাইকোর্টে যেতে হয়নি। ভবিষ্যতেও যেতে হবে না।’ এছাড়া, বারুইপুরের দিশেহারা ক্লাব, অঙ্কুর ক্লাব, মাস্কেটিয়ার্স ক্লাবের কালীপুজোর উদ্বোধন করেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বাজি ফাটানোর আনন্দ করতে গিয়ে বয়স্কদের সমস্যা যাতে না হয়, খেয়াল রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।



