সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: বিহারের বাল্মিকী টাইগার রিজার্ভ ফরেস্ট থেকে আসছে বাঘিনী। সড়কপথেই প্রাণীটিকে আনা হচ্ছে বক্সার জঙ্গলে। বনদপ্তর সূত্রে খবর, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেকোনো একদিন বাঘিনীটি চলে আসবে। রীতিমতো গ্রিন করিডর করে আনা হবে। বাল্মিকী টাইগার রিজার্ভ থেকে বক্সার দূরত্ব প্রায় ৭৫৩ কিমি। আসতে সময় লাগবে ১৮ ঘণ্টা।
রাজ্য বনদপ্তরের ‘প্ল্যান-বি’ ছিল চপাড়ে করে বাঘিনীকে আনার। কিন্তু, অসামরিক চপাড়ে বাঘ পরিবহণের অনুমতি নেই। আবার, ভারতীয় বায়ুসেনার চপাড়ে বাঘ আনতে গেলে বিশেষ অনুমতি নিতে হয়। তাই আকাশপথে নয়, বনদপ্তর সড়ক পথেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার আনার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিলমোহর দিয়েছে। দীর্ঘ যাত্রাপথে মাঝে মাঝে বিরতি দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল কনজারভেশন অথরিটির (এনটিসিএ) নির্দেশে সুন্দরবন, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প ও দেরাদুনের ওয়াইল্ড লাইফ অব ইন্ডিয়ার যৌথ টিম পৌঁছে গিয়েছে বাল্মিকী টাইগার রিজার্ভে। সেখানে একটি বাঘিনীকে চিহ্নিতও করা হয়েছে। এনটিসিএ’র চূড়ান্ত নির্দেশ আসার পরেই বাঘিনীকে ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু করা হবে। তারপরেই ওয়াইল্ড লাইফ অ্যাম্বুলেন্সে চাপিয়ে সড়কপথে আনা হবে বক্সার জঙ্গলে। ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেকোনো একদিন আসার পর ট্রমা আচ্ছন্ন কাটাতে বাঘিনীটি কয়েকদিন খাঁচাবন্দি থাকবে। তারপরেই ২ অক্টোবর সেটিকে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে মুক্ত করা হবে।
বনদপ্তরের এক শীর্ষ বনকর্তা বলেন, এনটিসিএ’র গাইড লাইন মেনে যা যা করা দরকার আমরা তার সবই করছি। আমাদের শেষ মুহূর্তের সমস্ত আয়োজন সম্পূর্ণ। আমরা এখন শুধু বাঘিনী আসার প্রহর গোনার অপেক্ষায়।