জয়পুর: রণথম্বোর জাতীয় উদ্যানে পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিল বুন্দি জেলার বাসিন্দা সাত বছরের স্কুলপড়ুয়া কার্তিক সুমন। ত্রিনেত্র গণেশ মন্দির দেখে ঠাকুমার হাত ধরে ফেরা পথে বাঘিনীর হামলায় প্রাণ গেল ওই শিশুর। একদল পর্যটকের চোখের সামনে দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে তার ঘাড় কামড়ে জঙ্গলে নিয়ে চলে যায় ডোরাকাটা। তারপর উদ্ধার হয় তার নিথর দেহ। এই ঘটনায় গোটা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সুমনের ঠাকুমা। তাঁর হাত থেকেই বাঘিনী ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে নাতিকে। মাঝেমধ্যে সংজ্ঞা হারাচ্ছেন তিনি।
জানা গিয়েছে, হামলার পরই খবর পেয়ে বনবিভাগের তরফে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সুমনের দেহ উদ্ধার করেন বনকর্মীরা। তবে ঘাতক পশুর খোঁজ মেলেনি। তারা জানিয়েছে, ওই এলাকায় সপ্তাহখানেক ধরে অন্তত তিনটি বাঘিনী ঘোরাফেরা করছে। সেগুলির মধ্যেই কেউ এই কাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রাজস্থানের কৃষিমন্ত্রী কিরোরিলাল মিনা এই ঘটনায় বনবিভাগের উপরই দায় চাপিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপত্তা কোথায়? পর্যটকের ভিড়ে ঠাসা যে রাস্তা ত্রিনেত্র মন্দিরের দিকে যাচ্ছে, সেখানেই এমন বাঘের হামলার বিষয় অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সুমনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মিনা সমবেদনাও জানিয়েছেন।