নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এল কেউটে। পুলিশ গিয়েছিল বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে উঠে এল কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনা। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তারই তিন আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করল দেগঙ্গা থানার পুলিশ। ঘটনাটি দেগঙ্গার নুরনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার।
জানা গিয়েছে, মাস সাতেক আগে ওই কিশোরী এক আত্মীয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। সেখানে এক অভিযুক্তের স্ত্রী তাকে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে কিশোরীকে মদ খাওয়ানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর রাতে কিশোরীকে তার বাড়িতে নিয়ে যায় চার যুবক। নাবালিকার বাবা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। মা অন্য ঘরে ছিলেন। অভিযোগ, কিশোরীকে পাশের একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে চার যুবক গণধর্ষণ করে। বিষয়টি এতদিন চাপা ছিল। বুধবার কিশোরীর বিয়ের আসর বসে বাড়িতে। কিশোরীকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে এমন খবর পেয়ে সেখানে যায় দেগঙ্গা থানার পুলিশ। তারা বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে গিয়ে জানতে পারে গণধর্ষণের ঘটনা। এরপর ওই চার যুবকের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার।
দেগঙ্গা থানার পুলিশ জানিয়েছে, গণধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের বারাসত আদালতে পেশ করার কথা। ধৃতরা সকলেই নির্যাতিতার আত্মীয়। এই প্রসঙ্গে বারাসত পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কিশোরীর বিয়ে রুখতে পুলিশ গিয়েছিল। সেখানে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলেই পুলিশ জানতে পারে। পরিবার চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। এদিনই তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।