সংবাদদাতা, বালুরঘাট: স্কুটি করে নেশার ইঞ্জেকশন পাচারের চেষ্টা। রাতের অন্ধকারে স্কুটি থামিয়ে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে এল নেশার ইঞ্জেকশন। এই ইঞ্জেকশনের ২০০০ অ্যাম্পল উদ্ধার করেছে পতিরাম থানার পুলিশ। সেই সঙ্গে স্কুটিতে থাকা তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় পতিরামে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই তিনজন কুমারগঞ্জ থানার খরাইল গ্রাম থেকে নেশার ইনঞ্জেকশন সংগ্রহ করে স্কুটির সিটের নীচে কালো ক্যারিবাগে ভরে নিয়ে যাচ্ছিল। পতিরামে আরও একজন পাচারকারীর হাতে সেগুলি তুলে দেওয়ার জন্য তারা সেদিকে যাচ্ছিল। সেই সময় ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ১০ মাইল এলাকায় পুলিশ দু’টি স্কুটিকে আটক করে। তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে নেশার বিপুল সংখ্যক অ্যাম্পল। ওই নেশার ওষুধ বাংলাদেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল পাচারকারীদের। তার আগেই পুলিশ ধরে ফেলে।
বেশ কিছুদিন ধরে পতিরাম এলাকা দিয়ে নেশার সামগ্রী পাচার চলছে। এর আগেও একাধিকবার পতিরাম দিয়ে নেশার ইঞ্জেকশন থেকে শুরু করে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, ব্রাউন সুগার সহ নানা ধরনের নিষিদ্ধ সামগ্রী পাচার হয়। পতিরাম-ত্রিমোহনী রুটকে বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে করিডর হিসেবে ব্যবহার করছে পাচারকারীরা। যার ফলে পতিরাম থানার পুলিশ এব্যাপারে সক্রিয় হয়েছে।
পতিরাম থানার পুলিশ জানিয়েছে, পাচারের উদ্দেশ্যে দু’হাজার নেশার ইঞ্জেকশনের ওষুধ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওই ঘটনায় পুলিশ তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম দীপক বর্মন, রাজু সরকার ও নাজমুল মণ্ডল। তাদের মধ্যে প্রথম দু’জনের বাড়ি তপন থানার রামপুরে। নাজমুলের বাড়ি কুমারগঞ্জের শ্যামপুরে।
পুলিশের অনুমান ভিন জেলা থেকে ওই নেশার ইঞ্জেকশনগুলি আনা হয়েছিল। সেগুলি তারা গোপনে কোথাও মজুত রেখে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে পাচার করার চেষ্টায় ছিল। ওই পাচারকারীদের সঙ্গে আরও অনেকেই যুক্ত রয়েছে বলে সূত্রের খবর।