Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জেলাশাসকের দপ্তর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, আতঙ্ক বারাসতে

মঙ্গলবার কলকাতায় অবস্থিত ভারতীয় জাদুঘরে এসেছিল হুমকি মেইল। পরের দিন, বুধবার একই ধরনের হুমকি মেইল এল বারাসতে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দপ্তরে।

জেলাশাসকের দপ্তর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, আতঙ্ক বারাসতে
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মঙ্গলবার কলকাতায় অবস্থিত ভারতীয় জাদুঘরে এসেছিল হুমকি মেইল। পরের দিন, বুধবার একই ধরনের হুমকি মেইল এল বারাসতে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দপ্তরে। যদিও এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্র আছে কি না, জানা যায়নি। 

Advertisement

এদিন বেলা ১১টা নাগাদ জেলাশাসকের সরকারি মেইলে জানানো হয়, বিকেল সাড়ে ৪টেতে বিস্ফোরণ হবে তাঁর কার্যালয়ে। এই ঘটনা চাউর হতেই শোরগোল পড়ে যায়। মেইলের বয়ান দেখে ভয় পেয়ে যান সরকারি কর্মীরাও। পুলিস অবশ্য সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়। ডগ স্কোয়াড ও মেটাল ডিটেক্টর এনে শুরু হয় চেকিং। তবে হুমকি মেইলে যে সময়ের কথা বলা হয়েছিল, তারপর দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও কিছুই ঘটেনি। ফলে মেইলটি যে ভুয়ো ছিল, সে ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় পুলিস। সূত্রের খবর, এই মেইলে পুরো কার্যালয় উড়িয়ে দেওয়ার হুমকির পাশাপাশি নির্দিষ্ট কয়েকজন আধিকারিককে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।  
টানা ক’দিনের ছুটির পর বুধবার খোলে সরকারি অফিস। এদিন অফিস খোলার পর জেলাশাসকের দপ্তরের কর্মীরা অফিসিয়াল মেইলের ইনবক্সে দেখেন, বিস্ফোরণের হুমকি দিয়ে একটি বার্তা এসেছে। তাতে লেখা রয়েছে, বিকাল সাড়ে ৪টের সময় ডিএম অফিসে বিস্ফোরণ হবে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিসকে। তারা তড়িঘড়ি ডগ স্কোয়াড এনে তল্লাশি শুরু করে। দপ্তরে আসা কর্মীদেরও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। আচমকা নিরাপত্তার এমন বজ্র আঁটুনি দেখে সরকারি কার্যালয়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে উপস্থিত হওয়া আম জনতাও রীতিমতো ঘাবড়ে যায়। বারাসত পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গী বলেন, ‘ওই মেইল আসার পর জেলাশাসকের কার্যালয়ে আমরা নিরাপত্তার যথাযথ ব্যবস্থা করেছি। কোন আইডি থেকে এই মেইল এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ পুলিসের তৎপরতায় কর্মীরা কিছুটা আশ্বস্ত হলেও বারাসাতজুড়ে দিনভর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই ঘটনাই। এভাবে খোদ জেলাশাসকের কার্যালয় উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি কে বা কারা, কেন দিতে পারে, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও রাত পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলেই খবর। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ