নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ‘একটু সময় দিন স্যর, নথি খুঁজে আনি।’ শুনানি পর্বের শেষ লগ্নে এসেও এভাবে এখনও অনেকেই হাজির হওয়ার জন্য সময় চাইছেন। তাঁদের অবশ্য সেই সময় দেওয়া হচ্ছে। কারণ নির্বাচনি আধিকারিকরা চান না, কোনো বৈধ ভোটার বঞ্চিত হোক। তাই একাধিকবার শুনানিতে গরহাজির থাকলেও শেষ আরেকবার সুযোগ দিতে চাইছেন তাঁরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু বিধানসভা এলাকায় এই পরিস্থিতি বলে জানা গিয়েছে। আগামী দু’-তিনদিনের মধ্যেই গোটা শুনানি প্রক্রিয়া গুটিয়ে ফেলতে চাইছেন আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ জায়গাতেই মূল শুনানির কাজ শেষ। যাঁরা একাধিকবার নোটিস পেলেও গরহাজির ছিলেন, এখন তাঁদের শুনানি মূলত বাকি। তবে দু’-একদিনের মধ্যে তাঁরা হাজির না হলে আর কিছু করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিএলও থেকে শুরু করে এইআরও’রা। সূত্রের খবর, ক্যানিং পশ্চিমে প্রায় দু’হাজার ভোটারকে ফের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। টালিগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় হাজার খানেক গরহাজির ভোটারের শুনানি বাকি। ডায়মন্ডহারবার মহকুমায় তথ্যে গরমিল থাকা ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ভোটারের মধ্যে ১০ শতাংশকে নথি নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য শেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, মেটিয়াবুরুজ বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও ভালো সংখ্যক শুনানি বাকি আছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে এই প্রক্রিয়া শেষ হতে ৭-৮ ফেব্রুয়ারি হয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ এই কেন্দ্রে প্রায় এক লক্ষ ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি ছিল। তাই এখানে শুনানি পর্ব গুটিয়ে আনতে সময় লাগছে। তবে কাকদ্বীপ মহকুমার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র সাগর, পাথরপ্রতিমা ও কাকদ্বীপে শুনানির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে অনুপস্থিত ভোটার ও নতুন করে নাম তুলতে যাঁরা ৬ নম্বর ফরম জমা দিয়েছেন, তাঁদের শুনানিও সেরে ফেলেছেন আধিকারিকরা। আজকালের মধ্যে অনলাইন আপলোডের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী মহকুমা প্রশাসন।