মঞ্চ থেকে বড়পর্দা— সর্বত্র সমান স্বচ্ছন্দ অভিনেতা সুমিত ব্যাস। এক সাক্ষাৎকারে অভিনয়ের জার্নির কিছু কথা ভাগ করে নিলেন।
মঞ্চ থেকে বড়পর্দা— সর্বত্র সমান স্বচ্ছন্দ অভিনেতা সুমিত ব্যাস। এক সাক্ষাৎকারে অভিনয়ের জার্নির কিছু কথা ভাগ করে নিলেন।
এখনও পর্যন্ত আপনার শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত কাজ ‘ডিটেক্টিভ শেরদিল’। কেমন প্রতিক্রিয়া পেলেন?
যাঁরা দেখেছেন, সকলেরই ভালো লেগেছে। আমাকে অনেকেই ব্যক্তিগত ভাবে জানিয়েছেন। বহুদিন আমি ক্লাসিকাল ড্রামাতে কাজ করিনি। বলিউডে এই ঘরানার ছবি কম তৈরি হয়। তাই কাজটা করেও আমার ভালো লেগেছে।
এই ছবির জন্য নতুন কিছু শিখতে হয়েছিল?
ছবিতে বনিতা (সান্ধু) মূক, বধিরের চরিত্রে অভিনয় করেছে। বনিতার সঙ্গে যে দৃশ্যগুলো রয়েছে, তার জন্য আমাকে ‘সাইন ল্যাংগুয়েজ’ শিখতে হয়েছিল। আমাদের কাজের এটাই মজা। আমরা নতুন নতুন কিছু শিখতে পারি।
একজন বহিরাগত হিসেবে কেরিয়ার শুরুর দিনগুলোতে কতটা স্ট্রাগল ছিল?
শুরুর দিকে কাজ পাওয়ার স্ট্রাগল ছিল। সকলে আমার কাজ যেন দেখেন, সেটা আর এক লড়াই। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে তখন অডিশন দিতাম। সৌভাগ্যবশত শুরুতেই আমার দু-তিনটে ধারাবাহিক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তাই আমি শুরুতেই পরিচিতি পেয়েছিলাম। এখন অন্য স্ট্রাগল। আমাকে একঘেয়ে চরিত্রে যেন দর্শককে দেখতে না হয়, সেটা চেষ্টা করি।
আপনার স্ত্রী একতাও অভিনেত্রী। কোনও প্রজেক্ট এলে দু’জনে আলোচনা করেন?
না, আমরা কেউ কারও সঙ্গে আলোচনা করি না। কেউ কারও কাজে নাক গলানো পছন্দ করি না। তবে অনেক সময় হয়তো একে অপরের মতামত নিই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের কাজের সিদ্ধান্ত আমরা নিজেরাই নিই। আমার থেকে বড় সমালোচক একতা। শুধু আমার বা অন্য কারও কাজের নয়, ও নিজের কাজেরও সমালোচনা করে।
অভিনেতা হিসেবে প্রত্যাখ্যান কীভাবে গ্রহণ করেন?
গত ২০-২৫ বছর ধরে আমি কাজ করছি। তাই এখন এসব আর গায়ে লাগে না। আমি মনে করি আমাকে যাঁরা সুযোগ দিলেন না, এতে তাঁদেরই ক্ষতি হল।
অভিনয় না করলে অন্য কোন কাজ করতেন?
আমি শুধু অভিনয়টা করতে পারি (হাসি)।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই