দুই হেভিওয়েটের মোকাবিলা মানেই অবধারিত উত্তেজনার ফুলকি। দ্বীপরাষ্ট্রে তারই গনগনে উত্তাপ। ভারত-পাকিস্তান হাইভোল্টেজ দ্বৈরথে যাঁরা নজর কাড়তে পারেন—
দুই হেভিওয়েটের মোকাবিলা মানেই অবধারিত উত্তেজনার ফুলকি। দ্বীপরাষ্ট্রে তারই গনগনে উত্তাপ। ভারত-পাকিস্তান হাইভোল্টেজ দ্বৈরথে যাঁরা নজর কাড়তে পারেন—
ভারতের ব্রহ্মাস্ত্র
অভিষেক শর্মা: কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে বিপ্লব এনেছেন বাঁ-হাতি ওপেনার। তাঁর স্ট্রাইক রেট দুশোর উপর। ফিট হয়ে ওঠা অভিষেকের ব্যাটে ঝড়ের অপেক্ষায় ভক্তরা।
ঈশান কিষান: কিছুদিন আগেও ছিলেন জাতীয় দলের বাইরে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা দেখিয়ে ফিরেছেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভরসাও জোগাচ্ছেন।
সূর্যকুমার যাদব: এই ফরম্যাটে অপ্রতিরোধ্য ভারতের ক্যাপ্টেন। উদ্ভাবনী শটে বোলারের লাইন-লেংথ তালগোল পাকাতে ওস্তাদ।
হার্দিক পান্ডিয়া: নামিবিয়া ম্যাচের নায়ক। ব্যাট হাতে ডেথ ওভারে যেমন বিধ্বংসী হওয়ার ক্ষমতা ধরেন, তেমনই বল হাতেও নির্ভরযোগ্য।
যশপ্রীত বুমরাহ: অদ্ভুত অ্যাকশনের জন্য ব্যাটারদের আতঙ্ক। জ্বরের জন্য আমেরিকা ম্যাচে নামেননি। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অবশ্য চেনা ছন্দে ছিলেন। পাওয়ার প্লে’র মধ্যেই হোক বা মিডল ওভার— বুমরাহ মানেই চাপে বিপক্ষ ব্যাটাররা।
বরুণ চক্রবর্তী: মিস্ট্রি স্পিনার। বল পড়ে কোনদিকে ঘুরবে কিংবা আদৌ ঘুরবে কিনা, হাত দেখে বোঝা কঠিন। সেজন্যই এই ফরম্যাটে বরুণকে খেলা মুশকিল। চলতি বিশ্বকাপে দু’ম্যাচে পকেটে পুরেছেন ৪ উইকেট।
পাকিস্তানের ভরসা
শাহিবজাদা ফারহান: বিধ্বংসী ওপেনার। নতুন বলে চালাতে পারেন অনায়াসে। প্রথম দু’ম্যাচেই বড় রান পেয়েছেন তিনি।
বাবর আজম: পাকিস্তানের সেরা ব্যাটার। এই ফরম্যাটে নানা রেকর্ড রয়েছে। তবে প্রতিভা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। চলতি বিশ্বকাপ ৩১ বছর বয়সির কাছে নিজেকে প্রমাণের মঞ্চ। প্রথম দু’ম্যাচে করেছেন ৬১ রান।
সলমন আগা: বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি পাক ক্যাপ্টেনের। দু’ম্যাচে এসেছে মাত্র ১৩ রান। তবে এই ব্যর্থতা ঝেড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ভারত ম্যাচকেই বেছে নিতে চাইবেন ৩২ বছর বয়সি ব্যাটার।
উসমান তারিক: বিতর্কিত বোলিং অ্যাকশনের কারণে বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত স্পিনার। বল ছাড়ার আগের মুহূর্তে থমকে গিয়ে বিব্রত করেন ব্যাটসম্যানকে। তাই তাঁকে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
শাহিন শাহ আফ্রিদি: নতুন বলে ভয়ঙ্কর। বাঁ-হাতি পেসারের অভিজ্ঞতার ঝুলিও ভারি। ভারত-পাক দ্বৈরথেও নেমেছেন বহুবার। চলতি আসরে অবশ্য দুটোর বেশি উইকেট পাননি। তবে রবিবার মহাম্যাচে জ্বলে উঠতে চাইবেন।
শাদাব খান: দক্ষ লেগস্পিনার। ব্যাট হাতেও চলনসই। পাক দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ২৭ বছর বয়সি অলরাউন্ডার। এই আসরে দুটো উইকেট নিয়েছেন। কলম্বোর স্পিন সহায়ক পিচে বড় ভূমিকা নিতে পারেন ভারতের বিরুদ্ধে।