Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আগেও বহুবার বাংলাদেশে অস্ত্র পাচার হয়েছে, জেরায় দাবি ধৃতদের

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাংলাদেশে অস্ত্র পাচারের অভিযোগে ৪ যুবক গ্রেপ্তার। কোস্ট গার্ডের হাতে ধরা পড়া ধৃতরা দাবি করেছে, এটি নতুন নয়। বিস্তারিত পড়ুন।

আগেও বহুবার বাংলাদেশে অস্ত্র পাচার হয়েছে, জেরায় দাবি ধৃতদের
  • ২৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এপার বাংলা থেকে বাংলাদেশে অস্ত্র পাচার এই প্রথম নয়। আগেও একাধিকবার এই কাজ হয়েছে। গ্রেপ্তারির পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই দাবি করেছেন কোস্ট গার্ডের হাতে ধৃত চার যুবক। তাঁদের সুন্দরবন কোস্টাল থানার হাতে তুলে দেওয়া হলে পুলিশ জেরা করে ওই তথ্য পেয়েছে। সুন্দরবনের ঝড়খালি থেকে চোরাপথে বাংলাদেশ যাওয়া কার্যত তাঁদের কাছে জলভাত ছিল। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কোর এলাকার খাঁড়ি পথ ধরে যেতেন এই অভিযুক্ত পাচারকারীরা। ধৃতরা পুলিশকে জানিয়েছে, মূল নদী ধরে নয়, গোপনে এক খাঁড়ি দিয়ে বেরিয়ে আরেক খাঁড়ি দিয়ে নজর এড়িয়ে যাওয়া-আসা চলত। তবে মাঝে কিছু সময় আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের কারবার বন্ধ ছিল। ফের সেই কাজ করতে গিয়ে এবার আর সফল হননি কেউ। পুলিশ জানিয়েছে, যে চারজন ধরা পড়েছেন, তাঁদের মধ্যে গোলাম মোল্লা নামে সন্দেশখালির এক বাসিন্দা রয়েছেন। তিনি পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বাকি তিনজন হলেন বাবুসোনা দাস, বনমালী মণ্ডল ও জ্যোতিষ মণ্ডল। তাঁরা ঝড়খালির বাসিন্দা। একটি সূত্র বলছে, সবরকম নজরদারি এড়িয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল তাঁদের ট্রলার। আর আধ ঘণ্টা দেরি হলেই তাঁরা বাংলাদেশের এলাকায় পৌঁছে যেতেন। পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃত চারজন আসলে চুনোপুঁটি! তাঁদের মাথা অন্য কেউ। ওপার বাংলা থেকে অস্ত্রের অর্ডার নিয়ে এখান থেকে সেসব সরবরাহ করা হতো। শুক্রবার চারজনকে আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের চারদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। বারুইপুর পুলিশ জেলার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, ‘কাদের থেকে অর্ডার নেওয়া হত, কারবারের মূল মাথা কে, কত টাকার বিনিময়ে ডিল হত—এসব বিষয় জানতে চাওয়া হবে ধৃতদের থেকে।’ প্রসঙ্গত,  এই জলপথে সুপারি, গোরু, বস্ত্র পাচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে অনেক দুষ্কৃতী। কিন্তু অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের ঘটনা সম্প্রতি ঘটেনি বলেই জানা গিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ