Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এবার চর্চায় উত্তরপাড়ার হোম, মহিলা আবাসিক নিগ্রহে ধৃত মালিক সহ চার

হুগলির উত্তরপাড়ার নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধারকে খুনের রেশ এখনও কাটেনি।

এবার চর্চায় উত্তরপাড়ার হোম, মহিলা আবাসিক নিগ্রহে ধৃত মালিক সহ চার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হুগলির উত্তরপাড়ার নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধারকে খুনের রেশ এখনও কাটেনি। তার আগেই চর্চায় উত্তরপাড়ারই নবগ্রামের একটি মহিলা হোম। সেখানকার এক আবাসিক মহিলাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়েছে। হোমের মালিক সহ চারজনকে ইতিমধ্যেই উত্তরপাড়া থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের একজন হোম পরিচালন সমিতির কর্তা অজয় চট্টোপাধ্যায়। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বলেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের সকলকেই শনিবার শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। তাতে এক মহিলা সহ তিনজনকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এছাড়া ওই হোমের মালিক বিনোদপ্রসাদ ওরফে বিনয়কুমার যাদবকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

শাসকদলের নবগ্রাম অঞ্চল সভাপতি অপূর্ব মজুমদার বলেন, অজয় চট্টোপাধ্যায় প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য। বর্তমানে তিনি দলের ঘনিষ্ঠ নন। তাই আইন আইনের পথেই চলবে। যদিও বিরোধীদের দাবি, সদ্য কোন্নগরে একটি সমবায়ের নির্বাচনে অজয় প্রার্থী ছিলেন এবং বর্তমানে পরিচালন পর্ষদের সদস্য। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিবারিক জটিলতার কারণে নবগ্রামের ওই হোমে থাকতেন নিগৃহীতা যুবতী। সাম্প্রতিক সময়ে বারবার তাঁকে নির্যাতন করা হয় সেখানকার এক মহিলা কর্মীর তত্ত্বাবধানে। তাতে মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মালিক সহ অন্যদের বিরুদ্ধে। হোমের আবাসিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে ওই যুবতীকে প্রায় নগ্ন করে মারধর করা হয়। এক মহিলাকর্মী গোটা বিষয়টি পরিচালনা করেছিলেন। এরপরেই ক্ষুব্ধ ওই যুবতী থানায় অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নেন। নিগৃহীতা জানিয়েছেন, তিনি বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে নিগ্রহের অভিযোগ শ্রীরামপুর থানায় দায়ের করেছিলেন। পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের পরে তিনি বলেন, খুব নিশ্চিন্ত লাগছে।
নবগ্রামের ঘটনায় চটজলদি পদক্ষেপ হলেও উত্তরপাড়ার শান্তিনগরের নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধার খুনে অভিযুক্তরা শনিবার পর্যন্ত অধরা। কেন্দ্রের কর্ণধার মদন রানাকে শুক্রবার সকালে দুই আবাসিক শিল-নোড়া দিয়ে থেঁতলে খুন করেছিলেন। তারপরেই তাঁরা পালিয়ে যান। 
প্রসঙ্গত, মদনবাবুর বিরুদ্ধেও আবাসিকদের উপরে নির্যাতন, চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে উর্পাজনের অভিযোগ ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতেই দুই অভিযুক্তকে ধরতে একটি অভিযান হয়েছিল। কিন্তু তাতে সাফল্য মেলেনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ