Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এবার ৩৫টি আইসিডিএসে বসবে টিভি, তৈরি হবে কিচেন গার্ডেনও

পুষ্টি, প্রাথমিক শিক্ষার আধুনিকীকরণে নতুন পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার

এবার ৩৫টি আইসিডিএসে বসবে টিভি, তৈরি হবে কিচেন গার্ডেনও
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: পুষ্টি, প্রাথমিক শিক্ষার আধুনিকীকরণে নতুন পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। তাই আইসিডিএস সেন্টারে বসবে এলইডি টিভি, ওয়াটার পিউরিফায়ার। তৈরি হবে কিচেন গার্ডেনও। প্রাথমিকভাবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ৩৫টি আইসিডিএস সেন্টারে শুরু হচ্ছে এই প্রকল্প। আগামীতে সমস্ত আইসিডিএসে এগুলি বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিকে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ‘সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি’ নামে এক প্রকল্পের অধীনে সেগুলির আধুনিকীকরণের চেষ্টা চলছে। পদক্ষেপ হিসেবে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে এলইডি টিভি দেওয়া শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, দেওয়া হচ্ছে একটি করে পানীয় জলের ফিল্টারও। বেছে নেওয়া হয়েছে রাজ্যের মোট ৬০০-এর বেশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রকে। সেই তালিকায় উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় রয়েছে মোট ৩৫টি কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলির নিজস্ব ভবন যেমন রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে ইলেকট্রিক সংযোগও। এছাড়া নিজস্ব জায়গাও রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার জন্য ইতিমধ্যেই টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এলইডি টিভির জন্য ২৫ হাজার টাকা, বাগান ও ওয়াটার ফিল্টারের জন্য ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ হয়েছে। এলইডি টিভির মাধ্যমে ছোটদের জন্য দেখানো হবে শিক্ষামূলক ভিডিও, ছড়া, গল্প ও প্রাথমিক পাঠ।
 এদিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দীর্ঘদিনের সমস্যা আর্সেনিক যুক্ত পানীয় জল। সরকারিভাবে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে পাইপলাইনে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। কিন্তু এবার আইসিডিএস সেন্টারে ওয়াটার পিউরিফায়ারের জল ব্যবহার করেই হবে রান্না ও পান করা।
অন্যদিকে রান্না করার ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা চাইছে রাজ্য সরকার। সেই জন্য সেন্টার চত্বরে তৈরি হবে ছোট ছোট কিচেন গার্ডেন। কর্মীরা ও স্থানীয় মহিলারা সেখানে একসঙ্গে চাষ করবেন বিভিন্ন সব্জি। 
সেই সব্জি ব্যবহার করা হবে শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার তৈরিতে। এনিয়ে জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, সরকার চাইছে আইসিডিএস সেন্টারগুলির প্রতি মানুষের ভরসা বাড়ুক। যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর পুষ্টি মিলবে একই ছাদের তলায়। এই প্রকল্প শুধু শিশুদের পুষ্টি নয়, গ্রামীণ জীবনের মানও উন্নত করবে। এই কাজের জন্য টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। দ্রুত নতুন প্রকল্প চালু হবে।
এনিয়ে বারাসত ২-এর সিডিপিও রাজশঙ্কর পান্ডে বলেন, আইসিডিএস সেন্টার হয়ে উঠবে গ্রামের ছোট্ট স্মার্ট স্কুল। আমাদের ব্লকে ছ’টি আইসিডিএস সেন্টার সরকারের এই প্রকল্পের আওতায় আসছে। টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ