Bartaman Logo
১৯ জুন, ২০২৬

‘বিরোধী দল ভেঙে কোনো লাভ নেই, সংসদে বিল আনলে আবার ব্যর্থ হবে’

কংগ্রেসের জয়রাম রমেশের দাবি, বিজেপি বিরোধী দল ভাঙতে ব্যর্থ হবে। রাজ্যসভায় বিল আনার চেষ্টা আবারও ব্যর্থ হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

‘বিরোধী দল ভেঙে কোনো লাভ নেই, সংসদে বিল আনলে আবার ব্যর্থ হবে’
  • ১৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আসন্ন বিধানসভা ভোটে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারবে না হাইকমান্ড। এমনকি, রাহুল গান্ধীর বাছাই করা পর্যবেক্ষককেও মান্য করা হবে না। এই মর্মে রাহুল এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস। আরও স্পষ্ট করে বললে পাঞ্জাবের বিরোধী দলনেতা ও তাঁর অনুগামীরা। নেপথ্যে সুযোগসন্ধানী অপারেশন লোটাস। ইন্ডিয়া জোটে হানা দিয়ে বিজেপি ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে প্রতিটি দলের অভ্যন্তরীণ শক্তি। একদিকে অপারেশন লোটাস এবং অন্যদিকে রাজ্যসভা নির্বাচনে ক্রস ভোট— এই জোড়া ফলায় বিরোধী শিবিরে হানা দিয়ে লোকসভা এবং রাজ্যসভার আসন বাড়িয়েই চলেছে মোদির দল। ফলে কংগ্রেস যে স্পষ্টত দিশাহারা, তাদের সংগঠন যে টালমাটাল, তা একপ্রকার পরিষ্কার। কিন্তু তা সত্ত্বেও মাথা নোয়াতে রাজি নয় হাত শিবির। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের চ্যালেঞ্জ, ‘বিজেপি সমস্ত বিরোধী দলে হানা দিয়ে দল ভাঙার খেলায় নেমেছে। কিন্তু মোদি সরকার যেটা চাইছে সেটা হবে না। ৩৬২ আসন দখল করার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।’ 

Advertisement

সম্প্রতি ডিলিমিটেশন ও মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল পাশ করাতে গিয়ে সংসদে ব্যর্থ হয়েছেন অমিত শাহ। সেই জ্বালা ভুলতে বর্ষাকালীন অধিবেশনের আগে আগ্রাসীভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তাঁর দল। লক্ষ্য, দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন দখল করা। সেজন্য প্রয়োজন ৩৬২ এমপির সমর্থন। জয়রাম রমেশের দাবি, ‘আমি নিশ্চিত করছি যে, হাজার চেষ্টা করেও এই সংখ্যা অর্জন করতে পারবেন না অমিত শাহ। সরকার যদি আবার বিল আনে, আবার ব্যর্থ হবে।’
রমেশের এই হুঁশিয়ারির দিনই অবশ্য ঝাড়খণ্ডে পরাজিত হয়েছেন তাঁর দলের রাজ্যসভার প্রার্থী। প্রয়োজনীয় সংখ্যা থাকা সত্ত্বেও। কারণ সে রাজ্যে কংগ্রেসেরই জোটসঙ্গী আরজেডি এবং সিপিআইএমএলের মোট ৬ জন বিধায়ক ক্রস ভোট করেছেন। শিবসেনা ছত্রভঙ্গ। তৃণমূল ভেঙে চৌচির। লালুপ্রসাদ যাদবের দলেও হানা। সমাজবাদী পার্টি রীতিমতো কম্পমান। দল ধরে রাখতে অবিজেপি দলগুলির মধ্যে আতঙ্ক শুরু হয়েছে। কারণ বিজেপির অপারেশন লোটাস একের পর এক রাজ্যে আঘাত হানছে ইন্ডিয়া জোটের উপর। তাই তড়িঘড়ি তিনজন ক্রাইসিস ম্যানেজারকে পাঞ্জাবে পাঠিয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।a

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ