Bartaman Logo
১৯ জুন, ২০২৬

টেলিগ্রামে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে সরকার

দিল্লি হাইকোর্টে টেলিগ্রামে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ১৫ কোটি ব্যবহারকারীর অধিকার খর্ব হচ্ছে কি? বিস্তারিত পড়ুন।

টেলিগ্রামে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে সরকার
  • ১৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: নিট-ইউজি’র পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রুখতে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার মোদি সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলল দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের বক্তব্য, দেশে প্রায় ১৫ কোটি টেলিগ্রাম ব্যবহারকারী রয়েছেন। তাঁদের একটি ছোট অংশ পরীক্ষায় বসছে। তার জন্য বাকিদের অ্যাপ ব্যবহারের  অধিকার কীভাবে খর্ব করা যায়? 

Advertisement

এদিন বিচারপতি তেজাস কারিয়ার অবসরকালীন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। কেন্দ্রের তরফে সওয়াল করেন অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামনি ও সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা। অন্যদিকে, টেলিগ্রামের হয়ে হাজির ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ধ্রুব মেহেতা। মেসেজিং অ্যাপের প্রযুক্তিগত দিক তুলে ধরেন তুষার মেহেতা। সলিসিটর জেনারেল জানান, টেলিগ্রামে এক ব্যবহারকারী ৪০টি বট তৈরি করতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রে মাত্র একটি। এই বট একটি ব্যবস্থা। যার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর কাছে একসঙ্গে তথ্য পাঠানো সম্ভব। ক্রাউডের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্ম চলে। জঙ্গিরাও প্রায়শই টেলিগ্রাম ব্যবহার করে। প্রযুক্তিগত জটিলতার জন্য তদন্তকারী এজেন্সিগুলিকেও সমস্যায় পড়তে হয়। ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপের সেই সমস্যা নেই। কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে, এজেন্সিগুলি তাকে চিহ্নিত করতে পারে। পালটা বেঞ্চ জানতে চায়, পরীক্ষার্থীদের জন্য কেন ১৫ কোটি ব্যবহারকারীর অধিকারকে খর্ব করা হবে। এদিন দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর রায় স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ