ওয়াশিংটন ১২ নভেম্বর: বসে রয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্টের পদে। কিন্তু মাঝে মাঝেই হয় তাঁর মতিভ্রম। কথা হচ্ছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পিছনে কার্যকর হয়েছিল তাঁর, ‘মেক আমেরিকা গ্রেট আগেইন’ স্লোগানের। আমেরিকানরাই চালাবে দেশ। সবকিছুতে থাকবে তাঁদের সবচেয়ে বেশি অধিকার। সেই কারণেই এইচ-১বি ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে খরচ বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তাঁর প্রশাসন একধাক্কায় এইচ-১বি ভিসার আবেদন মূল্য ১ লক্ষ ডলার (প্রায় ৮৮ লক্ষ টাকা) করে দেয়। যার ফলে মার্কিন মুলুকে কর্মরত ভারতসহ একাধিক দেশের যোগ্য ও দক্ষ কর্মীদের মাথায় হাত পড়ে যায়। এর মাঝেই উলটপুরাণ রিপাবলিকান নেতার।
এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়ে ট্রাম্প বলেন, ‘অনেক প্রতিভা নিয়ে আসা প্রয়োজন। বাইরের দেশ থেকে দক্ষ কর্মী আনতে হবে। ট্রাম্পের এই দাবির পর ওই সংবাদমাধ্যমের সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, ‘আমাদের এখানেও তো প্রতিভা রয়েছে,’ জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘না, এখানে নেই। তত বেশি প্রতিভা এখানে পাবেন না। লোককে তো শিখতে হবে। আপনিই তো আর কোনও বেকারকে তুলে এনে বলতে পারেন না, নাও তোমাকে কারখানায় চাকরি দিলাম। এবার আমরা ক্ষেপণাস্ত্র বানাবো, সেটা তোমাকেই করতে হবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন মন্তব্যে শোরগোল পড়েছে। তবে কী এইচ-১বি ভিসা নিয়ে সুর নরম করছেন ট্রাম্প? কৌতুহল বিশেষজ্ঞ মহলে। কারণ, এই ভিসার দাম এতটাই বৃদ্ধি করে ট্রাম্প প্রশাসন, যাতে সমস্যায় পড়ে বহু মার্কিন কোম্পানি। কারণ ওই কোম্পানিগুলিতে ভারত ও চীনের দক্ষ কর্মীরাই বেশি। তাদের জন্য অতিরিক্ত খরচ বহন করতে গিয়ে চাপে পড়ছে বড় বড় কোম্পানিগুলি। ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্বীকার করে নিয়েছেন, মার্কিনিরা সবক্ষেত্রে কাজ করতে পারবে না। বিদেশি দক্ষ ও যোগ্য নাগরিকদের আমেরিকায় প্রয়োজন রয়েছে।