Bartaman Logo
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তেলেঙ্গানায় সেনার অস্ত্রাগারে চুরি, গায়েব ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র

নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনিই সার। খোদ সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারে চুরি! গায়েব অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। তেলেঙ্গানার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

তেলেঙ্গানায় সেনার অস্ত্রাগারে চুরি, গায়েব ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

হায়দরাবাদ: নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনিই সার। খোদ সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারে চুরি! গায়েব অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। তেলেঙ্গানার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সেকেন্দ্রাবাদের ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সেনার মাদ্রাজ রেজিমেন্টের অস্ত্রাগার থেকে উধাও মোট ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র। তালিকায় রয়েছে একে-২০৩ এবং ৫.৫৬ এমএম ইনসাসের মতো রাইফেলও। পুলিশ জানিয়েছে, অস্ত্রচুরির এই ঘটনায় সেনাকর্মীদের কেউ জড়িত কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার রাতে চুরির এই ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিট নাগাদ বিষয়টি নজরে পড়ে। ঘরের তালা ও অস্ত্রশস্ত্র রাখার বাক্স ভাঙা ছিল। হদিশ নেই চারটি একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি ৫.৫৬ এমএম ইনসাস রাইফেল, ছ’টি ৯ এমএম স্বয়ংক্রিয় পিস্তল, একটি ৬.৩৫ বোর সিভিলিয়ান পিস্তলের। এছাড়া উধাও ২১টি ম্যাগাজিন, একটি প্যাসিভ নাইট ভিশন বাইনোকুলার। চুরি যাওয়া অস্ত্রশস্ত্রের আর্থিক মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা। প্রাথমিকভাবে অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর সেনা কর্তৃপক্ষ সোমবার বিকেল ৩টে নাগাদ বোল্লারুম থানায় পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে বিএনএসের বিভিন্ন ধারায় এফআইআর দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
সেনাবাহিনীর অস্ত্রের যে ঘরে চুরি হয়েছে, মঙ্গলবার সেখানে যান মানকানগিরির পুলিশ সুপার বি সুমতী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অস্ত্রচুরির তদন্তে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে ও তালা ভেঙে কীভাবে চুরির এই ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ভিতরের কেউ জড়িত কি না, সেটাও দেখা হচ্ছে। কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে হাতের ছাপ ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ। থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর অনুযায়ী, চুরির আগে ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় শেষবার সশরীরে অস্ত্রশস্ত্র গোনা হয়েছিল।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ