নয়াদিল্লি: ২০২৫ সালে সরকারি দপ্তরগুলির বিরুদ্ধে ৭০ হাজার ৫০০টিরও বেশি দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে। শীর্ষে ব্যাংক ও রেল। কেন্দ্রীয় ভিজিলেন্স কমিশনের একটি রিপোর্টে এই দাবি করা হয়েছে।
নয়াদিল্লি: ২০২৫ সালে সরকারি দপ্তরগুলির বিরুদ্ধে ৭০ হাজার ৫০০টিরও বেশি দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে। শীর্ষে ব্যাংক ও রেল। কেন্দ্রীয় ভিজিলেন্স কমিশনের একটি রিপোর্টে এই দাবি করা হয়েছে।
মুখ্য ভিজিলেন্স অফিসারদের কাছে মোট ৭০ হাজার ৫৮৪টি অভিযোগ জমা পড়ে। তার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৯০৫টি অভিযোগের নিষ্পত্তি হয় । বকেয়া ছিল বাকি ৫ হাজার ৬৭৯টি অভিযোগ। তার মধ্যে ২ হাজার ২টি অভিযোগ ঝুলে ছিল তিন মাসেরও বেশি সময়। ২০২৫ সালের সিভিসি বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুখ্য ভিজিলেন্স অফিসারদের (সিভিও) কাছে ব্যাংকগুলির বিরুদ্ধে সর্বাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সব মিলিয়ে ৯ হাজার ৯৩৩টি। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৯ হাজার ৫২০টি। বকেয়া অভিযোগের সংখ্যা ৪১৩টি। সেগুলির মধ্যে ৫২টি তিন মাসেরও বেশি পুরানো। এছাড়া, সিভিও-দের কাছে রেলের বিরুদ্ধে জমা পড়ে ৯ হাজার ৩৮১টি অভিযোগ। নিষ্পত্তি হয় ৮ হাজার ৭৫৪টি। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝুলে থাকা অভিযোগের সংখ্যা ৬২৭টি। আবাসন ও নগরোন্নয়ন বিষয়ক দপ্তরের বিরুদ্ধে ৬ হাজার ৫৩১টি অভিযোগ ছিল। গত বছর প্রাপ্ত অভিযোগগুলির মধ্যে ৪ হাজার১১৮টি কয়লা ক্ষেত্রে কর্মরত কর্মীদের সম্পর্কিত, ৩ হাজার ১০৭টি অর্থক্ষেত্রে, ২ হাজার ৮০৪টি দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধে এবং ২ হাজার ৭২২টি পেট্রলিয়াম মন্ত্রক সম্পর্কিত ছিল। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে জমা পড়ে মোট ২ হাজার ৬৩৩টি অভিযোগ। সড়ক পরিবরণ ও হাইওয়ে মন্ত্রকের বিরুদ্ধে ২ হাজার ১৩৯টি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৩৬টি অভিযোগ পেশ হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত বছর মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৩০টি, শ্রমমন্ত্রকের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৮৯৪টি, বিমা কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে ১ হাজার ৫৩৬টি এবং টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত ১ হাজার ৪৬৯টি দুর্নীতির অভিযোগ জমা হয়। রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, মোট ১ হাজার ৪১০টি দুর্নীতির অভিযোগ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সম্পর্কিত, ১ হাজার ১২৩টি উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের বিরুদ্ধে, ১ হাজার ২৩টি ইস্পাত মন্ত্রক সম্পর্কিত এবং ১ হাজার ৩টি ডাকবিভাগের বিরুদ্ধে জমা পড়েছিল।