নিউ ইয়র্ক: ৪৮ দেশের বিশ্বকাপ। গ্ল্যামার, প্যাশন, বৈভবের ছড়াছড়ি। ফুটবলের অশ্বমেধ যজ্ঞ। তিন আয়োজক দেশ আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোয় উন্মাদনার ঢেউ। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ৮ হাজার কোটি ডলারের বিশ্বকাপ অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে। তাবড় ইকনমিস্টদের চোখ চকচকে। পালটে যেতে পারে অর্থনীতির গ্রাফ। বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানি ৫ কোটি ডলার। এমনকি, গ্রুপ পর্বে একটি ম্যাচ না জিতলেও লক্ষ্মীর আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হবে না কোনো দল। প্রায় ৯০ লক্ষ ডলার পকেটে পুরবে তারা।
বিশ্বকাপে অংশগ্রহনকারী দেশের সংখ্যা ৩২ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮। মোট ম্যাচের সংখ্যা ১০৪। বিজ্ঞাপন, বাণিজ্যিক স্বত্ত্ব, এনডোর্সমেন্ট কার্যত কুবেরের ধন। শুধু মিডিয়া রাইটস বেচেই ৪২০ কোটি ডলার পাবে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। প্রায় ৬৫ লক্ষ পর্যটক উপচে পড়বেন তিন দেশে। রেস্তোঁরা, পাব, হোটেলে থিকথিকে ভিড়। ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য হতে পারে। শুধুমাত্র ট্যাক্স বাবদ প্রায় ৯৪০ কোটি ডলার জমা পড়বে আয়োজক দেশের ভাঁড়ারে। আমেরিকায় অন্যতম ভেন্যু লস অ্যাঞ্জলস। টুর্নামেন্টে ৮টি ম্যাচ আয়োজিত হবে এখানে। আনুমানিক ৬০ কোটি ডলার কামানোর টার্গেট আয়োজকদের, যা বহুচর্চিত সুপার বোল ইভেন্টের আয়কেও ছাপিয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি, বিশ্বকাপের সময়ে একলাফে কর্মসংস্থানও বেড়েছে অনেকটাই।