Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

সবরমতীর পাড়ে খেতাবরক্ষার হাতছানি বিরাটদের সামনে, লড়াইটা মানসিক দৃঢ়তার: শুভমান

ছয় দিনে গুজরাত টাইটান্সকে খেলতে হচ্ছে তিনটি ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই উঠছে ক্লান্তির প্রসঙ্গ। তবে জিটি ক্যাপ্টেন শুভমান গিল তা পাত্তাই দিচ্ছেন না।

সবরমতীর পাড়ে খেতাবরক্ষার হাতছানি বিরাটদের সামনে, লড়াইটা মানসিক দৃঢ়তার: শুভমান
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

আমেদাবাদ: ছয় দিনে গুজরাত টাইটান্সকে খেলতে হচ্ছে তিনটি ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই উঠছে ক্লান্তির প্রসঙ্গ। তবে জিটি ক্যাপ্টেন শুভমান গিল তা পাত্তাই দিচ্ছেন না। শনিবার প্রচারমাধ্যমের সামনে তাঁর সাফ কথা, ‘ধরমশালা ভেন্যু হিসেবে কঠিন ছিল। হ্যাঁ, শারীরিকভাবে বিপক্ষ অ্যাডভান্টেজ পাবে ঠিকই, তবে ফাইনাল সব সময়ই মানসিক দৃঢ়তার লড়াই। যে দল সেই চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে সামলাতে পারবে, তারাই জিতবে।’

Advertisement

মোতেরায় হোম অ্যডেভান্টেজ অবশ্য গিলরাই পাচ্ছেন। এই মাঠে তিনবার নক-আউটে নেমে দু’বার জিতেছে গুজরাত। তার মধ্যে ২০২২ সালের আইপিএল ফাইনালও রয়েছে। ফলে প্রত্যাশা বাড়ছে। তবে গিল যথারীতি উদাসীন। তাঁর মতে, ‘ঘরের মাঠে ফাইনাল খেলার চাপ আমাকে স্পর্শ করছে না। মাঠ আমাদের চেনা। জেতার জন্য কী দরকার সেটাও জানা। আমি এটাকে সুবিধা হিসেবে দেখছি, চাপ হিসেবে নয়।’ এবারের আসরে সাতশোরও বেশি রান করে ফেলেছেন তিনি। শুক্রবারই এসেছে দুরন্ত সেঞ্চুরি। টি-২০ বিশ্বকাপের দলে না থাকার আক্ষেপই কি আইপিএলে এমন গনগনে ফর্মে থাকার মোটিভেশন? গিলের উত্তর, ‘বিশ্বকাপের দলে থাকতে পারলে অবশ্যই খুশি হতাম। তবে সত্যি বলতে কী, যে কোনো ফরম্যাটে নিজের খেলাকে আরও উন্নত করাই লক্ষ্য থাকে। ক্রিকেট এমন এখটা খেলা যে, কখনওই নিখুঁত হওয়া যায় না। তবু সেই চেষ্টাই করে যেতে হয়।’
ওপেনিংয়ে সুদর্শন ও তিনি ধীরে-সুস্থে রানের গতি বাড়ান। অন্য দলের মতো প্রতি বলেই চালাতে যান না। এই প্রসঙ্গে গিল বলেন, ‘ম্যাচ জেতাই আসল। কীভাবে খেলে জয় এল, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ