নয়াদিল্লি: ‘ই-২০’ পেট্রল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আগামী বছর গোটা চিত্রটা স্পষ্ট হয়ে যাবে। মঙ্গলবার একটি মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে এমনটাই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকার পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের কথা বললেও, বাস্তবে আম জনতাকে কার্যত বাধ্যতামূলকভাবে কিনতে হচ্ছে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত এই পেট্রল।
দেশজুড়ে ‘ই-২০’ চালু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক অভিযোগ উঠেছে। কখনো মাইলেজ, কখনো বা যন্ত্রাংশ খারাপ হয়ে যাওয়ার দাবি করেছেন গ্রাহকরা। যদিও সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র দাবি করেছে, এই সব অভিযোগের নেপথ্যে যথেষ্ট প্রমাণ নেই। তবে এই উদ্যোগ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, কৃষক ও পরিবেশের পক্ষে ইতিবাচক ফল নিয়ে আসবে।
ইথানলের বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে কর্ণাটক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তেল সংস্থা হিন্দুস্তান পেট্রলিয়াম ও ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। সেই মামলায় বিপিসিএলকে (ভারত পেট্রলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড) ইথানলের বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিপিসিএল। শীর্ষ আদালতে কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি জানান, গত বছর অক্টোবর মাসেই ইথানল সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। একাধিক হাইকোর্টে এই বিষয়ে মামলা রয়েছে। একটি সংস্থার বরাদ্দ বৃদ্ধি করলে বাকি সংস্থাগুলিও একইভাবে আদালতের পথে হাঁটতে পারে। ফলে ইথানল সরবরাহে সমস্যা হবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘ই-২০ পেট্রলকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আগামী দিনে এই ফল জানা যাবে।’ যদিও মামলার শুনানি শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘ই-২০ পেট্রল সংক্রান্ত নীতি আগামী দিনে পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।’